কলকাতা: ফিরহাদ হাকিমের নিজের পাড়াতে ‘গদ্দার’ পোস্টার। পোস্টার ৮২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস গোবিন্দ আড্ডি রোডের কাছে এই পোস্টার পড়েছে। পোস্টারে বড় করে কালো অক্ষরে লেখা রয়েছে ‘গদ্দার’। যার একদিকে ফিরহাদ হাকিমের ছবি অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। পোস্টারূর উপরে লেখা “নিজের বেলায় আঁটিশুটি, পরের বেলায় দাঁতকপাটি”। আর নিচে লেখা “নিজের জামাই ও নিজের মেয়ের বেলায় কোন ফর্মুলায় রক্ত না ভক্ত!” এই পোস্টারের দায় স্বীকার করে নিচে ৮২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের লেখা হয়েছে।
২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে কলকাতা বন্দর থেকে জয় পেয়ে ফের বিধায়ক হয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াইয়ের অন্যতম সঙ্গী ফিরহাদ হাকিম। মমতার সময়ের মন্ত্রীও ছিলেন। সামলেছেন একাধিক দফতরের দায়িত্ব। তবে পালা বদলের পর মমতার সঙ্গ ছেড়েছেন তিনি। মমতার খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলেন ফিরহাদ। কিন্তু রাজ্যে সরকার বদলের পর তিনিও মমতা শিবিরের বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহ’ ঘোষণা করা বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে বেরিয়ে যান। যদিও ঋত- শিবিরে সেই ভাবে সক্রিয় নন ফিরহাদ। মমতা ঘনিষ্ঠ ফিরহাদের এহেন ভোলবদলে অবাক হয়েছিলেন অনেকেই। কিন্তু কথায় আছে রাজনীতিতে কোনও কিছুই অসম্ভব নয়। ফিরহাদের ভোলবদলের পরই তার আনুগত্য ও সততা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
আরও পড়ুন
আই-প্যাক- মমতা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে শুনানি শেষ, রায়দান স্থগিত রাখল শীর্ষ আদালত
এই মুহূর্তে ফিরহাদ নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ার আর এগিয়ে নিয়ে যেতে চান না। বিধায়ক হিসেবে মেয়াদ শেষের পর আর রাজনীতিতেও থাকতে চান না।এসবের পর বৃহস্পতিবার ফিরহাদের বাড়ির অদূরে, নিজের পাড়া চেতলার ৮২ নং ওয়ার্ডে ‘গদ্দার’ পোস্টার পড়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ৮২ নং ওয়ার্ডের যুব তৃণমূল কংগ্রেসের নাম থাকলেও তাদের একাংশ বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। উলটে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, এমন কাজ কোনওভাবেই তাদের কারও নয়।




