ওয়েব ডেস্ক: মদ খাওয়া ছেড়েছেন বহুদিন। একসময়ে নিয়মিত মদ্যপানের অভ্যাস ছিল। এখন আর সেই অভ্যাস নেই। এখন একেবারেই মদ ছুঁয়ে দেখেন না। চিকিৎসকদের মতে এতে লিভারের স্বাস্থ্যের উন্নতি হওয়ার কথা। কিন্তু কতটা সুস্থ আছে বা উন্নতি হয়েছে লিভারের তা জানবেন কী করে? শুধু মাত্র উপসর্গ দেখে বোঝা যায় না যে লিভার আদতে কতটা সুস্থ আছে। এর জন্য প্রয়োজন কিছু পরীক্ষার। পরীক্ষার ফলাফল দেখেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বুঝতে পারবেন লিভারের হাল ফিরেছে কিনা।
লিভার ফাংশন টেস্ট(LFT)- এই পরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পারা যায় লিভারের ক্ষতি হয়েছে কিনা বা অঙ্গটি কতটা ভালো ভাবে কাজ করছে।রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ALT, AST, বিলিরুবিন, অ্যালকালাইন ফসফাটেজ ও অ্যালবুমিনের মতো বিভিন্ন উপাদানের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়। আল্ট্রাসাউন্ড- লিভারে ফ্যাট জমেছে কিনা। অঙ্গটি বড় হয়ে গিয়েছে কিনা।তা বোঝার জন্য এই পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। ফাইব্রোস্ক্যান- লিভারের দৃঢ়তা পরিমাপ করে ফাইব্রোস্ক্যান। লিভারে কতটা ফাইব্রোসিস তৈরি হয়েছে তার স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
বায়োপসি- কিছু কিছু চিকিৎসক আরও অন্যান্য রক্ত পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন।শারীরিক অবস্থা যদি খুব খারাপ হয় তবে অনেক সময় বায়োপসি করার পরামর্শ দেওয়া হয়। চিকিৎসকদের মতে, লিভার কতটা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তার উপর নির্ভর করে কত দ্রুত অঙ্গটি সুস্থ হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্যাটি লিভার ঠিক হতে পারে। কিন্তু গুরুতর সিরোসিসের ক্ষেত্রে ক্ষতি পুরোপুরি সেরে নাও উঠতে পারে। তাই মদ্যপান বন্ধ রাখার পাশাপাশি চিকিৎসকদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শ প্রয়োজন।




