ওয়েব ডেস্ক: দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজো কাটিয়ে দুয়ারে কালীপুজো। তার কিছু দিন পরেই মা ফের আসবেন জগদ্ধাত্রী রূপে। জগদ্ধাত্রী পুজো মানেই চন্দননগর ও কৃষ্ণনগর। রাজ্যের সর্বত্র জগদ্ধাত্রী পুজো হলেও চন্দননগর ও কৃষ্ণনগরের মতো উন্মাদনা খুব কম দেখতে পাওয়া যায়। পালাবদলের বঙ্গে চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোকে বিশেষভাবে করতে চাইছে রাজ্য সরকার। চন্দননগরে বিশেষ চমক রাখতে চাইছে।
বড় বড় প্রতিমা থেকে শুরু করে সাবেকি সাজসজ্জা, আলোর উজ্জ্বলতা চন্দননগরের মত অন্য কোথাও আর দেখতে পাওয়া যায় না। এবারের পুজোয় চন্দননগরে বিশেষ চমক পর্যটন। চলতি বছরের দুর্গাপুজোয় চোর বাগান সার্বজনীনের বিপর্যয়ের থেকে শিক্ষা নিয়ে আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রশাসন। চন্দনগর থেকে কৃষ্ণনগর দূর দূরান্ত থেকে ভিড় জমান মানুষ। চোর বাগানের মত ঘটনা যাতে আর না ঘটে, তার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।
দূর দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের জন্য প্রতিমা দর্শনে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। রিভার ক্রুজে বাবুঘাট থেকে চন্দননগর পর্যন্ত প্রতিমা দর্শনের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তাঁদের মণ্ডপে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন-
রিভার ক্রুজ থেকে ফেরি সার্ভিস, প্রবীণদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা, বাইক অ্যাম্বুল্যান্স , বিশেষ অ্যাপ নিয়ে এবার বিরাট পরিকল্পনা রয়েছে প্রশাসনের। গলিতে গলিতে ঘুরবে বাইক অ্যাম্বুলেন্স। পুজোর সময় কারও যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেইদিকে লক্ষ্য রাখা হবে। এই পূজো নিয়ে ইতিমধ্যেই বৈঠক সেরেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে দর্শনার্থীদের জন্য সেবাকেন্দ্র গড়ে তোলার কথা বলেছেন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে শোভাযাত্রাতেও কড়া নজরদারির কথা বলেছেন।




