ওয়েব ডেস্ক: প্রকৃতির তাণ্ডবলীলার মাঝেই নতুন প্রাণের আগমণ। ওড়িশায় একসঙ্গে ৯৩১ শিশুর জন্ম হয়। দুর্যোগের কথা মাথায় রেখেই আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল রাজ্যের পক্ষ থেকে। প্রায় ২২৪৫ প্রসূতিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তারমধ্যে অর্ণবের তাণ্ডব চলাকালীন পৃথিবীর আলো দেখেছে ৯৩১ নতুন প্রাণ। সকল সদ্যোজাতই সুস্থ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সদ্যোজাতদের অনেকের নাম রাখা হয়েছে অর্ণব। কন্যা সন্তানদের নাম রাখা হয়েছে বর্ষা। সূত্রের খবর, অনেকে আবার ছেলে মেয়েদের নাম রেখেছেন তুফান ও বাতাসি।
জানা গিয়েছে, অর্ণবের দাপটে অন্ধ্র এবং ওড়িশায় প্রবল ঝড়বৃষ্টি। দুই রাজ্যের ১ লক্ষ ৮০ হাজারের বেশি মানুষকে উপকূলবর্তী এলাকা থেকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ব্যাঘাত বিদ্যুৎ পরিষেবাতেও। মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের জেরে রাজ্যের দক্ষিণাঞ্চল সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার জন্য গর্ভবতী মায়েদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকজনক মা ও শিশুকে ইতিমধ্যে ছেড়েও দেওয়া হয়েছে। তাঁরা সুস্থ রয়েছেন।
কিছু পরিবার সন্তান জন্মের পরেই তাঁদের নাম ঠিক করে ফেলেছেন। সেই নামও হাসপাতালের মাধ্যমে নথিভুক্তও করিয়েছেন তাঁরা। প্রকৃতির তাণ্ডবের মধ্যেই নতুন প্রাণের সঞ্চারে খুশি বয়ে এসেছে পরিবারগুলোতে। ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের নামকরণ করেছে বাংলাদেশ। যার অর্থ মহাসাগর বা বিশাল জলরাশি। এটি বাঙালিদের মধ্যে একটি প্রচলিত নাম। ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় ওড়িশায় ৩১৩টি উদ্ধারকারী দল মোতায়েন। এর মধ্যে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ৬০টি দল, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ৯টি দল এবং দমকল ও জরুরি পরিষেবার ২৪৪টি দল। পাশাপাশি প্রস্তুত রাখা হয়েছে ২,০৩৭টি আশ্রয়কেন্দ্র।




