ওয়েব ডেস্ক: জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রবিবার নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ দেখালেন হাজার হাজার মানুষ। নেতৃত্বে ছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। রামলীলা ময়দানের সমাবেশে ছিলেন ইন্ডিয়া জোটের শীর্ষ নেতারা, যাঁদের মধ্যে সোনিয়া গান্ধী, অখিলেশ যাদব, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তেজস্বী যাদব। ফলে এই বিক্ষোভ যে প্রতিবাদের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিরোধী শক্তি প্রদর্শনের একটা মঞ্চ তৈরি করে দিল, তা বলাই যায়।
তবে এদিন ইন্ডিয়া জোটের পাল্টা কর্মসূচি করেছে বিজেপিও। বিরোধীদের সমাবেশকে ‘রাজনৈতিক নাটক’ বলে কটাক্ষ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা। একই দিনে হরিনগর থেকে তিলকনগর পর্যন্ত ১৯৮৪ সালের শিখবিরোধী দাঙ্গার স্মরণে মিছিল করে তারা। সেখানে ছিলেন হরদীপ সিংহ পুরী ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা।
আরও পড়ুন:
প্রার্থী তালিকার পরই পদত্যাগ, পাঞ্জাবে অস্বস্তিতে আম আদমি পার্টি
দীপাবলির মুখে এই কর্মসূচিতে উদ্বিগ্ন দিল্লির ব্যবসায়ীরা। চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আশঙ্কা, প্রায় আড়াই লক্ষ দোকান বন্ধ থাকতে পারে, ক্ষতি হতে পারে ১০ থেকে ১২ হাজার কোটি টাকার। রাহুল অবশ্য বিক্ষোভকারীদের বাজারে কেনাকাটার আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে এদিন রাজধানীতে নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন ছিল প্রায় ১০ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা।




