কলকাতা: আসন্ন পুরভোটের সলতে পাকাতে শুরু করেছে শাসক-বিরোধী উভয়। অন্যদিকে কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড ‘ডিলিমিটেশন’-এর পর ৭০ টি ওয়ার্ড মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। এই পরিস্থিতিতে পুরভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পথে তৃণমূল নেত্রীর বড় চিন্তা হয়ে দাঁড়াচ্ছে মহিলা মুখ খোঁজা৷ একটা সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চারপাশে ঘিরে থাকতেন মহিলা নেত্রীরা। ২৬ -এর নির্বাচনের বিপর্যয়ের পর তাদের অধিকাংশই অন্য শিবিরে। এ নিয়ে নাকি সমস্যায় পড়েছে তৃণমূলের মমতা-ঋত দুই শিবিরই।
২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের ভরসা ছিল মহিলা ভোট ব্যাঙ্ক। ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে মহিলাদের পাশে থাকার বার্তা দিতে নানা প্রকল্প আনা হয়। ২০২১ সালে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প এনে মহিলা ভোট নিজের দিকে করতে সচেষ্ট হয়েছিলেন মমতা। কিন্তু ২০২৬ সালের নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গে ছবিটাই বদলে দিয়েছে। রাজ্যের ক্ষমতা থেকে যাওয়ার পর তৃণমূলের অন্তদ্বন্দ্ব প্রকট হয়েছে। দলের নেত্রীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে ঋতব্রতর হাত ধরে বেশিরভাগ বিধায়করাই শিবির বদল করেছেন। বিধায়করা শুধু নয়, শিবির বদল করেছে সাংসদরাও।
আরও পড়়ুন
ফাঁকা চেয়ার না জনসমুদ্র, রামলীলা ময়দানের ছবি ঘিরে বিজেপি-কংগ্রেসের সংঘাত তুঙ্গে
এক কালে মমতা ঘনিষ্ঠরা, আজ দূরত্ব বাড়িয়েছেন নেত্রীর থেকে। এক কথায় মমতার সাজানো ঘর তাসের ঘরের মতো ভেঙে গিয়েছে। ডেমোক্র্যাটিক শিবিরের অবশ্য দাবি, যে সব মহিলা তৃণমূল কর্মীরা ছিলেন তারা অনেকেই বিরক্ত। দল বেচে দেওয়ার অভিযোগ তাদের, যে কারণে মহিলা মুখ তৃণমূলে নেই। কলকাতা পুরসভায় যে সব পরিচিত মহিলা মুখ ছিল তারা অনেকেই এখন অন্য শিবিরে। কলকাতা পুরসভায় যে সব মহিলা মুখ এতদিন দেখা যেত তারা অনেকেই অবশ্য নিজেদের পরিকল্পনা গোপন রেখেছেন। অনেকে আবার এই নির্বাচনে লড়াইয়ের জায়গায় নেই।




