ওয়েব ডেস্ক: জঙ্গলে উদ্ধার করা হয়েছিল গুরুতর জখম অবস্থায়, তড়িঘড়ি শুরু হয়েছিল চিকিৎসাও। কিন্তু তাতেও হল না শেষরক্ষা। মধ্যপ্রদেশের মোরেনার জঙ্গল থেকে উদ্ধার হওয়া চিতাশাবক অবশেষে হেরে গেল জীবনের যুদ্ধে। বন দফতর জানিয়েছে, চিতাশাবকটির শরীর থেকে পাঁচটি গুলি পাওয়া গিয়েছে। এতে জঙ্গলে চোরাশিকারীদের সক্রিয়তা নিয়ে ফের দানা বাঁধছে নয়া সন্দেহ।
মৃত শাবকটি পুরুষ। তার বয়স ছিল ১৯ মাস। কেএনজি ২২ নামে তাকে শনাক্ত করা হয়েছিল। মোরেনার শেওপুর টেরিটোরিয়াল ফরেস্ট ডিভিশনে টহলের সময় বনকর্মীদের নজরে পড়ে আহত শাবকটি। তাঁরা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কুনো জাতীয় উদ্যানে নিয়ে যান। সেখানেই তার মৃত্যু হয়, জানিয়েছেন মুখ্য বনপাল সমীতা রাজোরা।
আরও পড়ুন:
বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শাবকটি ছিল কুনোর চিতা নির্ভার সন্তান। এক্স-রে করতে গিয়ে দেখা যায়, তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ছোট ছোট কিছু আটকে রয়েছে। এরপর অস্ত্রোপচার করে পাঁচটি গুলি বের করা হয়। ততক্ষণে তার অভ্যন্তরীণ বেশ কয়েকটি অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছিল। চিকিৎসকেরা বাঁচানোর চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি।
ঘটনার পরেই তৎপর হয়েছে রাজ্য সরকার। গুলি কোথা থেকে এল, তা খুঁজে বের করতে গঠন করা হয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল। তবে এটি চোরাশিকারের ঘটনা কি না, সে বিষয়ে সরকারের তরফে এখনও কিছু বলা হয়নি। এই মৃত্যুতে দেশে চিতার সংখ্যা কমে দাঁড়াল ৫৮। এর মধ্যে ৫২টি রয়েছে কুনো জাতীয় উদ্যানে, চারটি গাঁধীসাগর অভয়ারণ্যে এবং দু’টি বীরাঙ্গনা দুর্গাবতী ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্রে।




