HomeScrollমজুরি বাড়ানোর দাবিতে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প অচল, রাস্তায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ

মজুরি বাড়ানোর দাবিতে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প অচল, রাস্তায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ

কেন ফের রণক্ষেত্র বাংলাদেশ? কীসের দাবিতে বাড়ছে অশান্তি? জেনে নিন সবটা

ঢাকা: মজুরি বাড়ানোর দাবিতে কার্যত রণক্ষেত্র বাংলাদেশের পোশাকশিল্পাঞ্চল। পথে হাজার হাজার শ্রমিক, মুখোমুখি পুলিশ। কোথাও ইটবৃষ্টি, কোথাও ভাঙচুর, আবার কোথাও জাতীয় সড়ক অবরোধ। শ্রমিক বিক্ষোভের জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে শত শত পোশাক কারখানা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ও লাঠিচার্জের পথে হেঁটেছে পুলিশ। নামানো হয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবিও। বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি পোশাকশিল্প ঘিরে ক্রমেই বাড়ছে অস্থিরতা।

ঢাকার গাজিপুর, আশুলিয়া, মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। শ্রমিকদের মূল দাবি, মাসিক ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করতে হবে। তাঁদের অভিযোগ, লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধির বাজারে বর্তমান বেতনে সংসার চালানো অসম্ভব। খাদ্যপণ্য থেকে বাড়িভাড়া—প্রতিটি ক্ষেত্রেই খরচ বেড়েছে, অথচ সেই অনুপাতে বাড়েনি আয়।

আরও পড়ুন:

প্রথম দু’বছর নেতানিয়াহু, পরের দু’বছর আইজেনকোট! ইজরায়েলে জোটের নয়া অঙ্ক

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, অশান্তির জেরে প্রায় ৬৭০টি পোশাক কারখানার উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছে। সংঘর্ষে অন্তত ৫৮ জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। গ্রেফতার করা হয়েছে ৫৭ জনকে।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে জরুরি বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মজুরি পর্যালোচনায় ছ’সদস্যের বেতন পর্ষদ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু শ্রমিকদের দাবি, পর্যালোচনার আশ্বাস নয়, চাই নির্দিষ্ট মজুরি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত।

বাংলাদেশের মোট রফতানি আয়ের ৮০ শতাংশেরও বেশি আসে পোশাকশিল্প থেকে। প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান জড়িয়ে এই ক্ষেত্রের সঙ্গে। ফলে শ্রমিক অসন্তোষের আঁচ এখন শুধু কারখানার গণ্ডিতে আটকে নেই, সরাসরি চাপ তৈরি করছে দেশের অর্থনীতিতেও।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments