ওয়েব ডেস্কঃ হুগলি জেলার বিখ্যাত মা করুণাময়ীর পুজো। ৫৬ বছর ধরে আড়ম্বরের সঙ্গে পূজিত হয়ে আসছেন মা। এ বাড়িতে কালীপুজো শুরুর পিছনে রয়েছে এক কাহিনী। বাড়িতে কন্যা সন্তানের জন্মের পর পুত্র সন্তান জন্মালে, তারা বাঁচত না। বাড়ির গৃহিনী বিমলা দেবীর দুই পুত্র সন্তান মারা যায়। বিমলাদেবীর অষ্টম গর্ভে ফের পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। কিন্তু জন্মের পরেই সন্তান অসুস্থ হয়ে পড়ে। মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েন বিমলাদেবী।
রাতে তিনি স্বপ্নাদেশ পান। তিনি স্বপ্নাদেশে শুনতে পান, বাড়ির পাশের পুকুরের পাঁক তুলে সদ্যোজাত শিশুর গায়ে মাখিয়ে তাঁকে ১ ঘণ্টা পুকুর পাড়ে শুইয়ে রাখতে হবে। তাহলেই সুস্থ হবে নবজাতক। পাঁক তুলতে গিয়ে পাওয়া যায় ত্রিশূল, ঠাকুরের থালা বাসন। ফের বিমলাদেবী স্বপ্নাদেশ পান। দেবী তাঁকে বলেন, ‘পুকুরেই আমি আছি, আমায় তুলে প্রতিষ্ঠা কর।’ তাই করা হয়। বাড়ির আম বাগানে শুরু হয় কালীপুজো।
এরপর থেকে টানা মা করুণাময়ীর পুজো হয়ে আসছে। ২০১১ সালে বিমলাদেবীর মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র কষ্টিপাথরের কালী মূর্তি প্রতিষ্ঠা করেন। তারপর থেকে মন্দিরে শুরু হয় মায়ের নিত্য পুজো। মিষ্টি, অন্ন, সুজি, পাঁচ রকমের ভাজা দিয়ে মায়ের ভোগ নিবেদন করা হয়। কালীপুজোর পরের দিন গ্রামবাসীদের ভোগ খাওয়ানো হয়।




