HomeBig Breakingচা শ্রমিকদের দুর্দশা মোচনে ময়দানে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

চা শ্রমিকদের দুর্দশা মোচনে ময়দানে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

বন্ধ চা-বাগান খোলার দায়িত্ব শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের হাতে

ওয়েব ডেস্ক: উৎসবের মরশুমে চা শ্রমিকদের মুখে হাসি ফোটাতে বড়সড় পদক্ষেপ করল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। কালীপুজোর মুখে উত্তরবঙ্গের চা শ্রমিকদের জন্য অতিরিক্ত রেশন এবং এককালীন আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু তা-ই নয়, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা চা-বাগানগুলি পুনরায় খোলার জন্য সরাসরি উদ্যোগী হওয়ার নির্দেশও দিলেন শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিংকে। মঙ্গলবার উত্তরকন্যায় এই ঘোষণা করে শুভেন্দু বুঝিয়ে দিলেন, উত্তরবঙ্গের চা শ্রমিকদের দুর্দশা আর প্রশাসনের নজরের বাইরে থাকবে না।

ঘোষণা অনুযায়ী, চা শ্রমিকদের পরিবারপিছু ৫০ কেজি চাল এবং ৫০০০ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। উৎসবের আগে এই সহায়তা বহু শ্রমিক পরিবারের কাছে নিঃসন্দেহে বড় স্বস্তি। বিশেষত বন্ধ চা-বাগানগুলির শ্রমিকদের কাছে রোজগারহীনতা, খাদ্যসংকট এবং অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ দীর্ঘদিনের সমস্যা। সেই পরিস্থিতিতে সরকারের এই ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ।

উল্লেখযোগ্যভাবে, আগে থেকেই মাসে ৩৫ কেজি চাল পাওয়া শ্রমিকদের জন্য অতিরিক্ত ৫০ কেজি চাল ও ৫০০০ টাকার উৎসবকালীন সহায়তা ঘোষণা করেছে সরকার। এবার সেই রেশন-সুবিধা ৫০ কেজিতে উন্নীত করার বিষয়েও ভাবনাচিন্তার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অর্থাৎ সাময়িক ত্রাণের পাশাপাশি খাদ্যসুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। বন্ধ বাগান খোলার প্রশ্নে শুভেন্দুর অবস্থান আরও তাৎপর্যপূর্ণ। শ্রমমন্ত্রীকে দায়িত্ব দিয়ে তিনি স্পষ্ট করেছেন, শুধু আশ্বাস দিয়ে দায় সারলে চলবে না। বন্ধ বাগানগুলিকে চালু করতে হবে, শ্রমিকদের হাতে কাজ ফিরিয়ে দিতে হবে। শ্রমিকদের জব কার্ড প্রস্তুত রাখার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। তাঁদের প্রধানমন্ত্রী চা শ্রমিক যোজনার আওতায় আনার উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন।

অনির্দিষ্টকাল ধরে প্রতিবাদ নয়, কড়া পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

উত্তরবঙ্গের চা শ্রমিকদের দুর্দশা দীর্ঘদিনের। সেই সমস্যার সমাধানে শুভেন্দুর এই উদ্যোগ নিছক উৎসবের উপহার নয়, বরং প্রশাসনিক দায়বদ্ধতার বার্তা। মুখ্যমন্ত্রীর এই সক্রিয়তা বুঝিয়ে দিচ্ছে, উত্তরবঙ্গকে উন্নয়নের মূল স্রোতে আনার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কতটা গুরুত্ব দিতে চাইছে। তবে শেষ পর্যন্ত এই উদ্যোগের সাফল্য নির্ভর করবে বন্ধ বাগান খোলা এবং শ্রমিকদের স্থায়ী কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার উপর।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments