ওয়েব ডেস্ক: চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনার পর অবশেষে পুজোমণ্ডপের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিল পুলিশ। বাতিল করা হল ভিআইপি পাস, বন্ধ হল আলাদা দর্শন-লাইন। সাধারণ দর্শনার্থীদের নিয়ম মেনে ঠাকুর দেখানোর ব্যবস্থা করতে শহরের একাধিক বড় পুজোয় শুরু হয়েছে নিরাপত্তা ও পরিকাঠামোয় বদল। তবে প্রশ্ন উঠছে, এতগুলো প্রাণ চলে যাওয়ার পরেই কেন সক্রিয় হল প্রশাসন?
রবিবার দ্বিতীয় সপ্তমীর সন্ধ্যা থেকেই বিভিন্ন মণ্ডপে ঘোষণা করা হয়, ভিআইপি লাইনের আর কোনও ব্যবস্থা নেই। সোমবার অষ্টমীতেও বজায় থাকল সেই নিয়ম। কোথাও আলো বাড়ানো হয়েছে, কোথাও ভিড় সামলাতে বদলানো হয়েছে গেট ও যাতায়াতের পথ। ত্রিধারা, চেতলা অগ্রণী এবং বালিগঞ্জ কালচারালের মতো পুজোয় বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ। বড় পুজোগুলির দায়িত্বে রয়েছেন নির্দিষ্ট আইপিএস আধিকারিকেরাও।
ত্রিধারায় গাড়ি চলাচলের একাধিক পথ বন্ধ করে দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ভিড়ের মধ্যে বাঁশের উপরে বসে বাঁশি বাজিয়ে মানুষকে এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন পুলিশকর্মীরা। এই তৎপরতায় স্বস্তি মিললেও দর্শনার্থীদের একাংশের প্রশ্ন, প্রথম থেকেই কেন এমন ব্যবস্থা ছিল না? আগামী বছরেও কি বজায় থাকবে এই নিয়ন্ত্রণ, নাকি ফিরে আসবে ভিআইপি সংস্কৃতি?
অষ্টমীতে ম্যাডক্স স্কোয়ারে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও নিরাপত্তার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তাঁর কথায়, নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আনন্দও আনন্দ থাকে না। চোরবাগানের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা ঠেকানোই এখন প্রশাসনের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।




