ওয়েব ডেস্ক: প্রশান্ত মহাসাগরের অস্বাভাবিক উষ্ণতা ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ। মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরের নিনো ৩.৪ অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ১৯৯১-২০২০ সালের গড়ের তুলনায় ৩.৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি বলে প্রাথমিক পরিসংখ্যানে দাবি করা হয়েছে। ‘ক্লাইমেট রিঅ্যানালাইজার’-এর তথ্য অনুযায়ী, এই বিচ্যুতি তাদের দৈনিক পরিসংখ্যানে নতুন সর্বোচ্চ রেকর্ড। এর ফলে ২০২৬-২৭ সালের সম্ভাব্য শক্তিশালী এল নিনো নিয়ে আশঙ্কা বাড়ছে।
কেন গুরুত্বপূর্ণ নিনো ৩.৪ অঞ্চল?
মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের এই অঞ্চলের তাপমাত্রা এল নিনো ও লা নিনা পরিস্থিতি নির্ধারণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক। সমুদ্রের জল অস্বাভাবিক উষ্ণ হলে বায়ুমণ্ডলীয় সঞ্চালনে পরিবর্তন ঘটতে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে বিশ্বের তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত এবং চরম আবহাওয়ার উপর। ৮ অক্টোবরের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মাসিক নিনো ৩.৪ তাপমাত্রার বিচ্যুতি +২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল। সংস্থার পূর্বাভাসে ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে শক্তিশালী থেকে অতি শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতি তৈরির সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছিল।
ভারতের আবহাওয়ায় কী প্রভাব পড়বে?
শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে ভারতের বর্ষার বৃষ্টিপাতের ধরন বদলে যেতে পারে। বাড়তে পারে তাপপ্রবাহের ঝুঁকিও। এশিয়া, আফ্রিকা ও আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলেও আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটতে পারে। তবে তার প্রভাব সর্বত্র এক রকম হবে না। বিশেষজ্ঞদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, দৈনিক তাপমাত্রার বিচ্যুতি আর সরকারি এল নিনো সূচক এক নয়। তাই ৩.৪৬ ডিগ্রির এই প্রাথমিক তথ্য যাচাই না করে একে এল নিনোর আনুষ্ঠানিক রেকর্ড বলা যায় না। আগামী কয়েক মাসের পর্যবেক্ষণই বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার সম্ভাব্য গতিপ্রকৃতি বুঝতে সাহায্য করবে।




