নয়াদিল্লি: বলিউডে নক্ষত্র পতন। প্রয়াত জনপ্রিয় অভিনেতা নানা পাটেকর। প্রয়াণকালে অভিনেতার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ায় নিজের বাড়িতে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে হঠাৎ সংজ্ঞা হারান তিনি। হাসপাতালে নিয়ে গিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি। ৫.২০ মিনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত জনপ্রিয় অভিনেতা। নানা পাটেকরের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ চলচ্চিত্র মহল। নানা পাটেকরের প্রয়াণে বিনোদুনিয়ার পাশাপাশি শোকের ছায়া রাজনৈতিকমহলেও। নানার প্রয়াণে শোকস্তব্ধ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। বর্ষীয়ান অভিনেতার প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন পোস্ট করে কিংবদন্তি শিল্পীকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তিনি।
অভিনেতার প্রয়াণ শোক প্রকাশ করে মোদির লেখেন, “ভারতীয় চলচ্চিত্রে নানা পাটেকরজি’র মতো তীব্রতা, স্বাতন্ত্র্য এবং অনন্য উপস্থিতির অধিকারী অভিনেতার সংখ্যা ছিল হাতে গোনা। মোদি জানান, নানা পাটেকরের অভিনীত চরিত্রগুলি প্রজন্মের পর প্রজন্ম মনে রাখবে। তাঁর প্রয়াণে হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্র জগতে গভীর শূন্যতা তৈরি হয়েছে। প্রতিটি চরিত্রে তিনি অসাধারণ বৈচিত্র্য ও সৃজনশীলতার ছাপ রেখেছেন। তাঁর অভিনীত বহু চরিত্র প্রজন্মের পর প্রজন্ম দর্শকের মনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। নিজের মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত স্পষ্ট ও অকপট। তাঁর পরিবার, বন্ধু এবং অগণিত অনুরাগীর প্রতি গভীর সমবেদনা রইল। ওম শান্তি।”
Few actors possessed the intensity, individuality and unmistakable presence that Shri Nana Patekar Ji had. He brought remarkable versatility and creativity to every role and gave us characters that will be remembered for generations. He was also admired for his frank and forthright views, never hesitating to express what he believed in.
Shri Nana Patekar’s contribution to Hindi and Marathi cinema was immense. His passing leaves a deep void. My condolences to his family, friends and countless admirers. Om Shanti.
— Narendra Modi (@narendramodi) October 8, 2026
নানা পাটেকর ছিলেন ভারতীয় সিনেমার অন্যতম পরিচিত অভিনেতা। হিন্দি ও মারাঠি— দুই ভাষার ছবিতেই দীর্ঘ সময় ধরে অভিনয় করেছেন তিনি।১৯৭৮-এ মুজফফর আলির ‘গমন’ ছবির হাত ধরে, প্রথম রূপোলি পর্দায় পা রেখেছিলেন কিংবদন্তি অভিনেতা। ‘পরিন্দা’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘অগ্নিসাক্ষী’, ‘খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল’, ‘অব তক ছপ্পন’-এর মতো ছবিতে তাঁর অভিনয় বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি ছবি পরিচালনাও করেছেন। ১৯৯১ সালে ‘প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক’ দিয়ে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। নানা পাটেকরের পরিচালনায় মাধুরী দীক্ষিত অভিনীত ‘প্রহার’ দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়েছিল। ‘খামোশি দ্য মিউজিক্যাল’-এ তাঁর অভিনয় চিরস্মণীয় হয়ে থাকবে। অভিনয়ের জন্য তিনি একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছেন। ২০১৩ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করে। অভিনেতা। সূত্রের খবর, গোয়া থেকে অভিনেতার মরদেহ মুম্বইতে নিয়ে আসা হচ্ছে।




