ওয়েব ডেস্ক: নন্দীগ্রামে ভোটের অঙ্ক বদলেছে, আর তাতেই যেন নতুন করে অক্সিজেন পেয়েছে হাত শিবির। উপনির্বাচনে হারলেও ৭৯৪ থেকে বেড়ে ৪১ হাজার ৬৭৪ ভোট—এই উত্থানকেই পুঁজি করে কলকাতা ও হাওড়া পুরভোটের প্রস্তুতিতে ঝাঁপাল প্রদেশ কংগ্রেস।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের ঘোষণা, আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রার্থী হতে আগ্রহীরা জমা দিতে পারবেন বায়োডেটা। শুধু দলের কর্মী-নেতা নন, সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তি, এমনকি বিজেপি-বিরোধী লড়াইয়ে আগ্রহী অন্য দলের কর্মীদেরও আহ্বান জানাচ্ছে কংগ্রেস।
নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের এই উত্থানকে সামনে রেখে একক শক্তিতে লড়াইয়ের আত্মবিশ্বাসও ফিরছে দলের অন্দরে। প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের লক্ষ্য, পুরভোটে পরিচিত মুখের পাশাপাশি নতুন প্রজন্ম ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরও প্রার্থী হিসেবে তুলে আনা। সেই কারণেই আবেদন জমা দেওয়ার জন্য জেলা কংগ্রেস কার্যালয় ও বিধান ভবনের পাশাপাশি ই-মেলের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, সিপিএমের প্রাক্তন সাংসদ বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনার পর তাঁর সঙ্গে দেখা করে বিরোধী পরিসরে যোগাযোগও বাড়িয়েছেন শুভঙ্কর। নন্দীগ্রামের ভোট কি তবে পুরভোটে ঘুরে দাঁড়ানোর সিঁড়ি হবে কংগ্রেসের? সেই উত্তর খুঁজতেই এবার প্রার্থী বাছাই থেকে সংগঠন সাজানো—দুই ফ্রন্টেই সক্রিয় হাত শিবির।




