মাত্র পাঁচ মাসের ব্যবধানে বাংলার বিরোধী রাজনীতিতে বদলের ইঙ্গিত স্পষ্ট। ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ৯ অক্টোবর দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফল বুঝিয়ে দিল, ভোটের ময়দানে কংগ্রেসের পুনরুত্থানের সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
নন্দীগ্রামে মিলন প্রধানের ঝুলিতে ৪১,৬৭৪ ভোট—বিধানসভা নির্বাচনে দলের পাওয়া ৭৯৪ ভোটের তুলনায় বিরাট লাফ। রেজিনগরেও কংগ্রেসের ভোট বেড়েছে। এই ফলকে সংগঠন বিস্তারের ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল।
অন্যদিকে, তৃণমূলের দুই শিবিরের দুর্বলতাও সামনে এসেছে। নন্দীগ্রামে গণতান্ত্রিক তৃণমূলের প্রার্থী এহেতাশামূল হক পেয়েছেন মাত্র ৮৫৩ ভোট। রেজিনগরে ঋতব্রত শিবিরের প্রাপ্তি ২,০৪৪। মমতা-তৃণমূলের রবিউল আলম চৌধুরিও রেজিনগরে পেয়েছেন ৩,৮৪৭ ভোট। দুই শিবিরের কেউই প্রত্যাশিত শক্তি দেখাতে পারেনি। সিপিএমের ফলও আশাব্যঞ্জক নয়। ফলে বিজেপির মোকাবিলায় বিরোধী পরিসরে নিজেদের জায়গা ফিরে পেতে কংগ্রেসের সামনে যেমন সুযোগ তৈরি হয়েছে, তেমনই অন্য দলগুলির কাছে আত্মসমীক্ষার প্রশ্নও ক্রমশ বড় হচ্ছে।




