কলকাতা: পালা বদলের পর দ্বিতীয়বারের জন্য কলকাতা সফরে এলেন তসলিমা নাসরিন। কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে উগ্র সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত সরকারের এমনটাই জানালেন।
তসলিমা নাসরিন বলেন, কলকাতা শহর খুব ভালো লাগছে, পুজো এবার থাকতে পারবো না কিন্তু তার আগে বেশকিছু অনুষ্ঠান আছে কালকে মহাজাতি সদনে তারপর ১১ তারিখে আছে ৯ তারিখেও আছে। মহালয়া তে থাকছি সম্ভব হলে ইডেন গার্ডেনে মহালয়ার অনুষ্ঠান দেখবো আর এইবার পূজোয় থাকতে পারছি না তবে নেক্সট ইয়ার থেকে অবশ্যই থাকবো। আমি খুবই ভালবাসি এখানকার পুজো। মনে হয় আর্ট এক্সিবিশন হচ্ছে। সবার জন্য শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা। কালকে মহাজাতি সদনে যে অনুষ্ঠান আছে সেখানে আমার কবিতা ও আমার কবিতার গান হবে। ওমা সম্মান দেওয়া হবে দেবী বন্দনা হবে তো খুব ভালো অনুষ্ঠান হবে ১১ তারিখে অনুষ্ঠান আছে বিডি অডিটোরিয়াম সল্টলেকে ওখানে সাহিত্যের অনুষ্ঠান ওখানে একটা আমার বই উদ্বোধন হবে এবং ন্যাশনাল লাইব্রেরীতে একটা ম্যাগাজিনের উদ্বোধন হবে।
দূর্গাপুজো কলকাতাতে হয় বাংলাদেশে হয় সেক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম অভিযোগ ওঠে কোথাও মূর্তি ভাঙা হয়েছে। বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক উগ্র মৌলবাদীরা মূর্তি ভাঙে বহু বছর থেকে তা করছে আমি চাইছি সরকার এদের বিরুদ্ধে এই জেহাদী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে যেন অ্যাকশন নেয় কলকাতার পুজোতে অসম্ভব সুন্দর। সেটা ভালো লাগে দেখতে যে এখানে কেউ কারও সাহস হবে না যে এখানে মূর্তি ভাঙতে তবে বাংলাদেশের এই সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সবারই ধদাড়ানো উচিত এবং সরকার এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিক এটাই চাই।
বাংলাদেশের দুর্গাপুজার বিরুদ্ধে মিছিল হচ্ছে এনিয়ে তসলিমা বলেন, এইসব প্রত্যেকটা সরকারের প্রশ্রয় এইসব জেহাদী জঙ্গি গোষ্ঠী বেড়েছে এদের নির্মূল হোক সেটাই চাই। দেশকে যদি বাঁচাতে হয় সুস্থ এবং সভ্য করতে হয়। এই উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠীকে প্রতিরোধ করতেই হবে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই হবে। তারেক রহমান ভারতে আসার প্রসঙ্গে বলেন, এখন উনি যেভাবে জামাতে ইসলামকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন এবং জেহাদীদের বিরুদ্ধে কোন অ্যাকশান নিচ্ছেন না আমি জানিনা কতটা কি হবে তবে আশা করছি যে দু’দেশের সম্পর্ক ভালো হবে ভবিষ্যতে।




