ওয়েব ডেস্ক: দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজো কাটিয়ে আসছে কালীপুজো। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে বড় করে হয় শ্যামা আরাধনা। উত্তর কলকাতার অন্যতম উল্লেখযোগ্য পুজো ফাটাকেষ্ট-র পুজো। এই পুজো ঘিরে মানুষের উন্মাদনাও থাকে তুঙ্গে। প্রতিবছর ফাটাকেষ্টর ঠাকুর দেখতে ভিড় সমান আপামর দর্শনার্থীরা। তবে এবার চোরবাগানের ঘটনার পরে তৎপর পুলিশ-প্রশাসন ও পুজো উদ্যোক্তরাও। এই পুজোর পোশাকি নাম নব যুবক সংঘ। কিন্তু পরিচিত সে ফাটাকেষ্টও পুজো বলেই।
১৯৫৭ সালে কৃষ্ণ চন্দ্র দত্ত এই পুজোর শুরু করেছিলেন। এলাকাতে ফাটাকেষ্ট বলেই পরিচিত ছিলেন তিনি। তাই এটি ফাটাকেষ্টর পুজো বলে পরিচিত। এই পুজোতে গত বছর থেকে প্রতিমা তৈরি করছেন কুমোরটুলির শিল্পী মিন্টু পাল। এবারও মূর্তি তৈরি করে, পৌঁছে গিয়েছে মণ্ডপে। শিল্পীর স্টুডিও থেকে রাজকীয়ভাবে ১৪ ফুটের বিশাল প্রতিমা পৌঁছেছে মণ্ডপে। রীতি, নীতি মেনে ঢাকের বোলের সঙ্গে দীর্ঘ ৫ কিমি রাস্তা পার করেছে এই প্রতিমা। গঙ্গাজল দিয়ে রাস্তা ধুয়ে, ঝাঁট দিয়ে, ফুল ছড়িয়ে মাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। প্রতিবারের মতো এবারও প্রতিমা দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন বহু মানুষ।
আরও পড়ুন-
মণ্ডপের একাধিক CCTV বন্ধ! প্রস্থান গেটের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন
উত্তর কলকাতার সঙ্কীর্ণ গলির মধ্যে হওয়া এই পুজোয় মা কালীর দর্শন করতে কখনও এসেছেন মহানায়ক উত্তম কুমার, কখনও অমিতাভ বচ্চন সহ নামকরা ব্যক্তিত্বরা। সঙ্কীর্ণ গলির বেশইরভাগ অংশই খোলা রাখা হচ্ছে। আমাদের পুজোর জিনিস আনার জন্য একটা সরু রাস্তা থাকবে। বাকিটা দর্শক ও স্থানীয় লোকজন যাতায়াত করবে।




