ওয়েব ডেস্ক: বিশ্বকাপ হাতে আসেনি, স্বপ্নভঙ্গের সেমিফাইনালে ভেজা চোখে সেদিন মাঠ ছাড়তে হয়েছিল। তবে আজ সেই ছবিতে আমূল বদল। ইংল্যান্ডের ফুটবলের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় লিখলেন হ্যারি কেন। ব্যালন ডি অরের গোল্ডেন পোডিয়ামে পঞ্চম ইংরেজ হিসেবে লিখে গেলেন এক দাপটের রূপকথা। ২০০১ সালে মাইকেল ওয়েন ব্যালন এই খেতাব জিতেছিলেন। তার পর দীর্ঘ ২৫ বছরের খরা। তবে কেনের হাত ধরেই সেই অপেক্ষা শেষমেষ ফুরোল।
গত মরশুমে বায়ার্নের হয়ে ৬১ এবং ইংল্যান্ডের হয়ে ১২ গোল করেছেন কেন। মোট ৬৫টি ম্যাচে তাঁর গোলসংখ্যা ৭৩। বুন্দেশলিগা ও ডিএফবি-পোকাল জয়ে তাঁর অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। ইউরোপের ঘরোয়া লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ায় তিনি ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু-ও জিতেছেন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কেন করেছেন ১৪ গোল, যা সর্বোচ্চ গোলদাতা এমবাপের চেয়ে মাত্র একটি কম। তবে সেমিফাইনালে প্যারিস সাঁ জার্মাঁর কাছে হেরে যাওয়ায় বায়ার্নের ইউরোপ-সেরা হওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকেছে। তাতে অবশ্য কেনের কৃতিত্ব এতটুকু কমেনি।
আরও খবর-
জাতীয় দলের হয়েও তিনি নজির গড়েছেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ইংল্যান্ডের পুরুষ দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন তিনি, তাঁর গোল ১৪টি। এই তালিকায় তিনি ছাড়িয়ে গিয়েছেন কিংবদন্তী গ্যারি লিনেকারকেও। তাই আজ কেনকে ব্যালন ডি অর হাতে দেখে একটা কথা না বললেই নয়- ফুটবলে গোলই শেষ কথা নয়, কখনও কখনও দলের সাফল্যের সঙ্গেও জড়িয়ে থাকে ব্যক্তিগত স্বীকৃতি।




