কলকাতা: ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়- সহ ১০ বিদ্রোহী বিধায়কের সদস্যপদ খারিজের দাবিতে আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড়। বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মমতা তৃণমূলের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু শীর্ষ আদালতে তাঁর সেই আবেদনে প্রত্যাশিত সুরাহা মেলেনি। ফলে ঋতব্রত শিবিরের বিধায়কদের সদস্যপদ নিয়ে অনিশ্চয়তা আপাতত কাটল না।
শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট করে দিয়েছে, এই পর্যায়ে শীর্ষ আদালত সরাসরি হস্তক্ষেপ করবে না। শোভনদেবকে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মামলাটির দ্রুত শুনানির বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন বলেও জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।
উল্লেখ্য, গত ৮ জুলাই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ রায়, সন্দীপন সাহা, শিউলি সাহা, সাবিনা ইয়াসমিন, আখতারুজ্জামান, রথীন ঘোষ, বিপ্লব মিত্র এবং জাভেদ আহমেদ খানের বিরুদ্ধে দলত্যাগবিরোধী আইনে বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন করেছিলেন শোভনদেব।
আরও পড়ুন:
দুই শিবিরে বিভক্ত তৃণমূলকে তুলোধোনা শুভেন্দুর, মমতা-ঋতব্রত কাউকেই রেয়াত নয়
গত ২৮ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট স্পিকারকে তিন মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছিল। কিন্তু ৯ অক্টোবর প্রক্রিয়াগত ত্রুটির কারণ দেখিয়ে শোভনদেবের আবেদন খারিজ করে দেন স্পিকার। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই ফের আইনি লড়াই শুরু করেন শোভনদেব।
বৃহস্পতিবারের নির্দেশে আপাতত সুপ্রিম কোর্ট থেকে কোনও স্বস্তি পেলেন না তিনি। ফলে ঋতব্রত শিবিরের বিধায়কদের সদস্যপদ নিয়ে পরবর্তী লড়াইয়ের কেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে কলকাতা হাইকোর্ট। দুই তৃণমূল শিবিরের রাজনৈতিক সংঘাত এবার কোন আইনি মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।




