ওয়েব ডেস্ক : ন্যানো প্রকল্পের ব্যর্থতার দীর্ঘ ছায়া কাটিয়ে সিঙ্গুরে নতুন করে শিল্পের সম্ভাবনা তৈরির বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার নিউটাউনে রাজ্যের নতুন শিল্পনীতি প্রকাশের পর তিনি জানান, হুগলির সিঙ্গুরে বাণিজ্যিক ভারী গাড়ি তৈরির কারখানা গড়ার বিষয়ে অশোক লেল্যান্ডের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। তবে শুধু সমঝোতাপত্রে সই করে প্রচারের আলোয় থাকতে চায় না তাঁর সরকার। বাস্তব বিনিয়োগ নিশ্চিত করেই এগোতে চায় নবান্ন।
২০০৬ সালে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের উদ্যোগে সিঙ্গুরে টাটার ন্যানো কারখানা তৈরির পরিকল্পনা হয়েছিল। জমি অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আন্দোলনের জেরে ২০০৮ সালে প্রকল্প গুটিয়ে নেয় টাটা গোষ্ঠী। সেই ঘটনার পর থেকেই বাংলার শিল্পায়নের আলোচনায় সিঙ্গুর একটি রাজনৈতিক প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
দিপকে অর্থ যোগাচ্ছে আমেরিকা, রাঙ্কার পিছনে পাক মদত, অভিযোগ কেন্দ্রের
শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, কৃষকদের উপর বলপ্রয়োগ করে জমি অধিগ্রহণ করা হবে না। নতুন শিল্পনীতিতে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্পের পাশাপাশি পরিষেবা ক্ষেত্রেও বিনিয়োগে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে শিল্প সংস্থাগুলিকে ১২০ শতাংশ পর্যন্ত আর্থিক সহায়তার সুযোগ রাখা হয়েছে। মহিলা কর্মীদের নিয়োগ, পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ এবং পিছিয়ে পড়া এলাকায় শিল্প স্থাপনেও বিশেষ সুবিধা মিলবে।
বন্ধ ও রুগ্ন শিল্প পুনরুজ্জীবনের পাশাপাশি বিনিয়োগের অনুমোদন প্রক্রিয়া সরল করার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। সিঙ্গুরের সম্ভাবনা বাস্তবে কতটা রূপ পায়, এখন সেটাই দেখার।




