ওয়েব ডেস্ক: ভারত-চিন সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক আলোচনা চললেও অরুণাচল প্রদেশে সংঘাতের পরিস্থিতি পুরোপুরি মেটেনি। ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ বা ITBP-র প্রধান শত্রুজিৎ কপূরের বক্তব্যকে হাতিয়ার করে কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করল কংগ্রেস। সীমান্তে চিনা সেনার সঙ্গে একাধিক জায়গায় মুখোমুখি সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হওয়া সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেন প্রকাশ্যে কোনও বক্তব্য রাখছেন না, সেই প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দল।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইটিবিপি প্রধান জানিয়েছেন, অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তে একাধিক জায়গায় ভারত ও চিনের সেনার মধ্যে মুখোমুখি অবস্থানের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। গত জুলাই মাস থেকে এই উত্তেজনা চলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সীমান্তে নজরদারি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে ড্রোনের ব্যবহার এবং ভূগর্ভস্থ আশ্রয়স্থলের গুরুত্বের কথাও বলেছেন তিনি।
এই বক্তব্যের পরেই কেন্দ্রের চিননীতি নিয়ে সরব হয়েছে কংগ্রেস। দলের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশের অভিযোগ, সীমান্তে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলেও প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সরকার নীরব। তাঁর প্রশ্ন, চিনের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগের পাশাপাশি দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে সরকার কী পদক্ষেপ করছে, তা দেশবাসীকে জানানো হচ্ছে না কেন।
এর আগে অরুণাচলের কিছু এলাকায় ভারতীয় সেনার টহলদারিতে চিন বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। কংগ্রেসের দাবি, সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের স্পষ্ট বক্তব্য প্রয়োজন। তবে অরুণাচলে নতুন করে চিনা অনুপ্রবেশের অভিযোগের বিষয়ে সরকারি ভাবে নিশ্চিত তথ্য প্রকাশিত হয়নি। ভারতীয় সেনা আগেও এই ধরনের কয়েকটি অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে খারিজ করেছে।
ফলে সীমান্তের বাস্তব পরিস্থিতি, সেনার টহলদারির পরিধি এবং চিনের সঙ্গে আলোচনার অগ্রগতি—এই তিনটি বিষয়েই কেন্দ্রের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাইছে কংগ্রেস।




