কলকাতা: সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর শেক্সপিয়র সরণি থানা থেকে বেরোলেন অভিষেক। থানা থেকে বেরিয়ে রাজ্য সরকারকে কড়া ভাষায় কটাক্ষ করেন অভিষেক। তিনি বলেন, সরকারে আসার পর গত ৪ মাস ধরে রাজ্যে বিজেপি সরকার একের পর এক অপরাধমূলক কাজ করে যাচ্ছে। আমাকে কলকাতা পুলিশও, সিবিআই, সিআইডি ডেকেছে আমি গিয়েছি। আমি গিয়েছি তদন্তে সহযোগিতা করেছি। যেকোনও কেসে আমি সহযোগিতা করেছি। সারদা নারদার চোরাাকে একবার সিবিআই ডাকতেই বিজেপিতে পালিয়ে গিয়েছে। চতুর্থীতে শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরা দিয়ে বেড়িয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ ডায়মন্ডহারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দাবি করেন, সেদিন বেআইনিভাবে তৃণমূলে পার্টি অফিসের বিলবোর্ড খোলা হয়েছিল। সেজন্য তিনি আদালতের দ্বারস্থ হবেন। তাঁর আদালতের উপর ভরসা আছে। অভিষেক বলেন, ‘ক্যামাক স্ট্রিটে অনেক বিলবোর্ড আছে। কতগুলি খোলা হয়েছে। আসলে ওরা তৃণমূলকে ভয় পেয়েছে। সেই কারণে পার্টি অফিস ভাঙছে, মিথ্যা কেস দিচ্ছে। এত কর্মীকে জেলে ঢুকিয়েছে। আসলে ওরা চুরি করে জিতেছে। বারবার আমাদের উপর আক্রমণ নামিয়ে আনছে।’এই সরকার জ্ঞানেশ কুমারকে বাঁচাতে চাইছে। জ্ঞানেশ ডুবলে সবাই ডুববে। বিজেপির সব নেতা গ্রেফতার হয়ে যাবে। তাই জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে।’ বিলবোর্ড কাণ্ডে এদিন শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরা দেন অভিষেক। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই থানায় আসেন তিনি। গত সোমবার তাঁকে তলব করা হলেও অনুপস্থিত ছিলেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ।গত ২৭ অগস্ট ক্যামাকস্ট্রিটে অভিষেকের অফিস থেকে বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে গোলমাল হয়। পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের অধিকারীকদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে ছিলেন অভিষেকের অনুগামীরা। খুলে নেওয়া হয় তৃণমূলের নাম এবং জোড়াফুল চিহ্ন সংবলিত বিলবোর্ড। ওই দিনের ঘটনায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় মোট তিনটি এফআইআর হয়েছিল।
বুধবার সকালে বিলবোর্ড কাণ্ডে শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত সোমবার তাঁকে তলব করা হলেও অনুপস্থিত ছিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। পুলিশের কাছে সময় চাওয়ার পর আজ সকাল ১১টায় তলব করা হয়েছিল। সেই সময় মত থানায় উপস্থিত হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্যামাক স্ট্রিটের বিলবোর্ড বিতর্কে সরাসরি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছিল কলকাতা পুলিশের বিশেষ দল। সোমবার দুপুরে কালীঘাট রোডের বাসভবনে পৌঁছে তাঁর হাতে নোটিস তুলে দেয় শেকসপিয়র সরণি থানার তদন্তকারী আধিকারিকরা।




