সঞ্চারী পূততুন্ড
পেত্নী, শাকচুন্নি, ব্রহ্মদৈত্য, মেছো ভূত, মামদো ভূত,স্কন্ধ কাটা ভূত, গেছো ভূত সহ বাঙালিদের জীবনে রয়েছে হরেক রকম ভূত। আজ ভূত চতুর্দশী উপলক্ষ্যে এবার কলকাতায় ভূতের সম্মেলন! এদিন বাড়ি থেকে বের হতে গেলেই সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে আজ তেঁনাদের দিন। ভারতীয় পৌরাণিক কাহিনীতে ভূতের বিবর্তনের নানা গল্প রয়েছে। বাংলার ভূত ও অপরিচিত অশরীরিদের সঙ্গে আজ আলাপ করার আয়োজন করা হয়েছে গোলপার্কের এক রেস্তোরাঁয়। এই রেস্তরাঁর আমন্ত্রণপত্রটি ছিল বেশ আকর্ষণীয়। দেখলেই অবাক হতে হয়।
আমন্ত্রণের শুরুতেই লেখা রয়েছে, বঙ্গ ভূত সম্মেলন ২০২৬। সেখানেই পৌরাণিক আড্ডার সঙ্গে অদ্ভূত সকল খাওয়ার আয়োজন করা হয়েছে। রয়েছে ভূতুরে নোলা। সেই খাবারের মধ্যে রয়েছে, ১৪ শাখ। ভূত চতুর্দশীতে ১৪ শাক খাওয়ার নিয়ম মেনে এই রেস্তরাঁয় রয়েছে শাকচুন্নির ১৪ শাক। নাম শুনলেই কেমন এক ছমছমে ভাব। তারপরেই রয়েছে ডিম্ভূতকিমাকার। রয়েছে মেছোভূতের প্রিয় মুড়িঘণ্ট, ধর্মের ভিত্তিতে শুদ্ধ ব্রহ্মদৈতের নিরামিষ মাটন। সুকুমার রায়ের লেখায় পান্ত ভূতের জ্যান্ত ছানার মিষ্টিও রাখা হয়েছে শেষ পাতে। ভূত চতুর্দশীর দিন সকলের জন্য বিশেষ আয়োজন রাখা হয়েছে।
ভূত চতুর্দশীকে আরও স্মরণীয় করতে ভৌতিক মেনুর চমক রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এদিন এখানে গেলেই দেখা মিলবে বাঙালি অতি পরিচিত ভূতেদের! এদিন একটু গন্ডগোল করলেই ঘাড় মটকে দিতে পারে তেঁনারা। এমন আকর্ষণীয় আমন্ত্রণপত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন ভাইরাল। বাংলার লোকসংস্কৃতিতে ভূত মানেই ভয়ঙ্কর নয়। বেশ মজাদার ভূতের গল্পও রয়েছে। সেই ভালো ভূতদের সঙ্গে আজ দেখা হতে পারে আপনার।




