ওয়েব ডেস্ক: কুমারটুলি থেকে প্রতিমার বিদেশযাত্রা নতুন নয়। বহু বছর ধরে কুমারটুলির পটুয়াদের হাতে তৈরি প্রতিমা বিদেশে পারি দিয়েছে। বেশ কিছু বছর ধরে গ্রাম বাংলার পটুয়াদের তৈরি মূর্তিও পূজিত হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। এবার কৃষ্ণনগরের ষষ্ঠীতলার বাসিন্দা এক তরুণের হাতে তৈরি মূর্তি গিয়েছে জাপানে। পড়াশোনা সামলে নিজের হাতে মূর্তি তৈরি করেছেন কৃষ্ণনগরের অগ্নিভ পাল। বাবার থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিমা বানানোর কাজ শুরু করেছিলেন। মাত্র ৩ মাসের মধ্যেই তৈরি হয়েছে এই প্রতিমা।
জানা যায়, মাত্র ১২-১৪ বছর বয়সে বাবার হাতে হাতে প্রতিমা তৈরির কাজ শেখেন অগ্নিভ। পড়াশোনা করলেও, নিজের শিল্প চর্চায় কোনও খামতি দেননি অগ্নিভ। পড়াশোনা করার মাঝেই নিজের শিল্পের কাজও চালিয়ে গিয়েছেন। পারিবারিক সূত্রে চেনাজানা থেকে প্রতিমা তৈরির বরাত এসেছিল। ৩ বছর আগেও কৃষ্ণনগর থেকে জাপানে প্রতিমা গিয়েছে। এবার অগ্নিভ নিজের হাতে প্রতিমা গড়া থেকে সাজসজ্জা সবটাই করেছেন। কৃষ্ণনগরের পুতুল বিখ্যাত। এবার সেই কৃষ্ণনগরের মাটি থেকে, বিদেশে যাচ্ছেন মা। এই ধরনের ঘটনা অত্যন্ত গর্বের কৃষ্ণনগরবাসীর জন্য।
৩ মাস ধরে নিরসল পরিশ্রমের পরে ৪ ফুটের বেশি উচ্চতার এই মাটির প্রতিমা তৈরি করা হয়েছে। কাজকে নিখুঁত করতে ফাইবার গ্লাস ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিমা যেহেতু বিদেশে যাতে, তাই মাটির হলে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই প্রথমে মাটির প্রতিমা গড়ে, প্লাস্টার করে ফাইবার গ্লাস ব্যবহার করা হয়েছে। সম্প্রতি কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্প জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে। তারপরেই আরও বেশি উৎসাহের সঙ্গে প্রতিমা তৈরির কাজ হয়েছে।




