HomeScrollহাসিমুখে সাক্ষাৎ, আনুগত্যে সংশয়, তৃণমূলের দুই শিবিরে জল্পনার নতুন অধ্যায়

হাসিমুখে সাক্ষাৎ, আনুগত্যে সংশয়, তৃণমূলের দুই শিবিরে জল্পনার নতুন অধ্যায়

সৌজন্য বিনিময়কে দলবদলের ইঙ্গিত হিসেবে দেখার বিষয়ে দু’পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট ফারাক রয়েছে

কলকাতা: বিজয়ার মিষ্টিমুখ, বিধানসভার লবিতে সৌজন্য সাক্ষাৎ, আর তারই মধ্যে দলবদলের জল্পনা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের গণতান্ত্রিক তৃণমূলের মধ্যে টানাপড়েনের আবহে কয়েক জন বিধায়কের অবস্থান ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা। তবে সৌজন্য বিনিময়কে দলবদলের ইঙ্গিত হিসেবে দেখার বিষয়ে দু’পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট ফারাক রয়েছে।

বুধবার বিধানসভায় বিজেপির দুই নবনির্বাচিত বিধায়কের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল মমতা-শিবির। কিন্তু সেই সময় ওই শিবিরের তিন বিধায়ককে অধিবেশন কক্ষে দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে কুণাল ঘোষের ব্যাখ্যা, যোগাযোগের ঘাটতি থেকেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, দলীয় সিদ্ধান্তে কোনও পরিবর্তন হয়নি।

অন্য দিকে, বিধানসভার লবিতে কাজল শেখের সঙ্গে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎ এবং বিজয়ার মিষ্টিমুখকে ঘিরে জল্পনা তৈরি হয়। শোভনদেব জানিয়েছেন, দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক থেকেই এই সৌজন্য। কাজলও স্পষ্ট করেছেন, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। তবে ঋতব্রত শিবিরের বিধায়ক হিসেবে তাঁর সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: 

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়লে নির্বাচন নয়, কমিশনে একসুরে বিরোধীরা

চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমান আবার দাবি করেছেন, মিনহাজুল আরফিন আজ়াদও ঋতব্রত-শিবির ছেড়ে মমতার দিকে ফিরতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে আজাদের অবস্থান স্পষ্ট নয়। পাল্টা আখরুজ্জামান জানিয়েছেন, তাঁদের শিবিরের অধিকাংশ বিধায়ক নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া তালিকায় সই করেছেন।

ফলে ব্যক্তিগত সম্পর্কের সৌজন্য, নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য এবং বিধানসভায় সাংগঠনিক অবস্থান—তিনটি প্রশ্নই এখন তৃণমূলের দুই শিবিরের সংঘাতকে নতুন মাত্রা দিচ্ছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments