ওয়েব ডেস্ক: বিক্ষোভ দমনে দিল্লি পুলিশের ধরপাকড়ে উত্তপ্ত রাজধানী! যন্তর মন্তরের পথে আইসা নেত্রী নেহা বোরা, সমাজকর্মী তথা প্রাক্তন আপ নেতা যোগেন্দ্র যাদব এবং আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণকে আটক করল পুলিশ। তাঁদের প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় সফদরজং ফ্লাইওভারের কাছে ভ্যান ঘিরে ধরেন বিক্ষোভকারীরা। প্রায় কুড়ি জন আন্দোলনকারী পথ আটকে দাঁড়ানোয় তাঁদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া থমকে যায়। পরিস্থিতি আরও অস্বস্তিকর করে তুলেছে অন্য একটি অভিযোগ—আন্দোলনের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে রাস্তায় বেরিয়ে সাধারণ মানুষও পুলিশের হেফাজতে পড়ছেন।
এর আগে সকালে দিল্লি বিমানবন্দরে বিমানের ভিতর থেকেই সিজেপির প্রথম সারির নেতা অভিজিৎ দিপক-সহ কয়েক জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিমান থেকে নামানোর আগেই একটি ভিডিও পোস্ট করে অভিজিৎ জানান, এ বার সিজেপির আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবেন মহারাষ্ট্রের তরুণ নেতা অজিনক্য শিন্ডে। কিন্তু সেই ঘোষণার পর কয়েক ঘণ্টা কেটে গেলেও শিন্ডের কোনও বক্তব্য মেলেনি। গত তিন-চার দিন ধরেই তাঁর নীরবতা ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
অভিজিৎদের গ্রেফতারের খবর ছড়াতেই পথে নামেন নেহা ও যোগেন্দ্ররা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সিপিআইএম লিবারেশনের সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য। তাঁকে আটক করা হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এদিকে, ভাগ্নের চিকিৎসার জন্য দিল্লিতে এসে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন এক ব্যক্তি। বিক্ষোভকারীদের ধরপাকড়ের মধ্যে সাধারণ নাগরিকদেরও হেফাজতে নেওয়া হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নেই বাড়ছে বিতর্ক।




