ওয়েব ডেস্ক: ভারতের জনগণনা ২০২৭-এর দ্বিতীয় পর্যায়ের দিনক্ষণ ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশজুড়ে চলবে জনসংখ্যা গণনার মূল পর্ব। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিধানসভা নির্বাচন এবং দুর্গম পার্বত্য এলাকার বিশেষ পরিস্থিতির কারণে কয়েকটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই সূচি কার্যকর হচ্ছে না। বিশেষ করে মণিপুরে আপাতত জনগণনা স্থগিত রাখা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১০ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জন্য থাকবে স্ব-গণনার (সেল্ফ এনিউমারেশন) সুযোগ। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে নাগরিকরা নিজেরাই পরিবারের প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিতে পারবেন। এরপর ২৫ জানুয়ারি থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন গণনাকর্মীরা। ১ থেকে ৫ মার্চ চলবে সংশোধনী পর্ব।
আরও পড়ুন:
মৃত্যু-মুহূর্ত পর্যন্ত দেশসেবার শপথ, গুজরাত থেকে বার্তা মোদির
এবারের জনগণনায় থাকছে মোট ৪০টি প্রশ্ন। ২০১১ সালের জনগণনায় যেখানে ২৯টি প্রশ্ন ছিল, সেখানে এবার যুক্ত হয়েছে ১৩টি নতুন প্রশ্ন। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, তফসিলি জাতি ও উপজাতির পাশাপাশি অন্যান্য জাতির পরিচয়ও নথিভুক্ত করা হবে। স্বাধীনতার পর এই প্রথম জনগণনায় এমন বিস্তৃত জাতিগত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এছাড়া ধর্ম, জাতীয়তা, বাবা-মায়ের জন্মস্থান ও জন্মতারিখ, জীবনসঙ্গীর নাম, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সংখ্যা, আধার, ভোটার পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর, পাসপোর্ট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত তথ্যও চাওয়া হবে।
উত্তরপ্রদেশ, গোয়া, পাঞ্জাব ও উত্তরাখণ্ডে বিধানসভা নির্বাচনের কারণে আগেই শুরু হবে এই প্রক্রিয়া। লাদাখ এবং হিমাচল প্রদেশ ও জম্মু-কাশ্মীরের তুষারাবৃত এলাকায় জনগণনার কাজ আগেই সম্পন্ন হয়েছে। মণিপুরে জাতিগত অশান্তির পরিস্থিতিতে পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া স্থগিত থাকবে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত এই জনগণনা দেশের জনসংখ্যা, সামাজিক বিন্যাস ও জাতিগত কাঠামোর নতুন চিত্র তুলে ধরবে।




