ওয়েব ডেস্কঃ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের জেতাতে প্রায় ৪,৭০০ কোটি টাকা খরচ করেও প্রত্যাশিত ফল পেলেন না বিশ্বের অন্যতম ধনকুবের ইলন মাস্ক। ডেমোক্র্যাটদের কাছে রিপাবলিকান শিবিরের পরাজয়ের পর রাজনৈতিক এবং ব্যবসায়িক—দুই ক্ষেত্রেই নতুন চাপের মুখে পড়েছেন টেসলা ও স্পেসএক্স কর্তা।
নির্বাচনের আগে রিপাবলিকান প্রার্থী এবং রক্ষণশীল রাজনৈতিক সংগঠনগুলির হয়ে অন্তত ৪৪৫ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছিলেন মাস্ক। বিভিন্ন প্রতিবেদনে সেই অঙ্ক ৪৭৪ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। টেক্সাসের সেনেট নির্বাচনে কেন প্যাক্সটন এবং গভর্নর নির্বাচনে গ্রেগ অ্যাবটের প্রচারেও অর্থ ঢেলেছিলেন তিনি। কিন্তু ফলাফলে তাঁদের দু’জনেরই পরাজয় হয়েছে। রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, মাস্কের সমর্থন পাওয়া হাউসের ৪৩ জন রিপাবলিকান প্রার্থীর মধ্যে মাত্র তিনজন জয়ী হয়েছেন।
পরাজয়ের পরে সমাজমাধ্যম এক্স থেকে রিপাবলিকানদের সমর্থনে করা একাধিক পোস্ট সরিয়ে নিয়েছেন মাস্ক। ভোটের দিনও ‘ভোট রেড টুডে’ লিখে রিপাবলিকানদের পক্ষে প্রচার করেছিলেন তিনি।
তবে রাজনৈতিক পরাজয়ের পাশাপাশি তাঁর সামনে আরও একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনে মাস্কের ভূমিকা, সরকারি ব্যয় হ্রাসের দায়িত্বে থাকা DOGE-র কাজ এবং তাঁর সংস্থাগুলির সরকারি বরাত নিয়ে তদন্তের দাবি উঠতে পারে। ব্যবসায়িক স্বার্থের সঙ্গে সরকারি সিদ্ধান্তের সংঘাত হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখারও দাবি জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা।




