ওয়েব ডেস্ক : কলকাতা পুরসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে ওয়ার্ড স্তরে প্রশাসনিক প্রস্তুতি জোরদার করতে চলেছে রাজ্য সরকার। আগামী ৩০ নভেম্বরের পর শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে কো-অর্ডিনেটর নিয়োগ করা হবে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর এই ঘোষণাকে ঘিরে কলকাতার পুর- রাজনীতিতে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে বিরোধীদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘‘আমার সঙ্গে পাঙ্গা নিয়ে লাভ নেই।’’
বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতার পালাবদলের পর কলকাতা পুরসভা বিজেপি সরকারের কাছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক লক্ষ্য। শহরের নাগরিক পরিষেবা, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং ওয়ার্ড স্তরে প্রশাসনিক কাজকর্মে নজরদারি বাড়াতেই কো-অর্ডিনেটর নিয়োগের সিদ্ধান্ত বলে প্রশাসনিক মহলের ধারণা। নির্বাচিত কাউন্সিলর না থাকায় এই নিয়োগের মাধ্যমে ওয়ার্ডগুলিতে প্রশাসনিক যোগাযোগ আরও মজবুত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তৃণমূলের দুর্নীতি নিয়ে আক্রমণ, ৫০ হাজারের জেল তৈরির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা ১৪৪ থেকে বাড়িয়ে ২০৯ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। সেই পুনর্বিন্যাসের পর নতুন ওয়ার্ডগুলিতে দায়িত্ব বণ্টন এবং প্রশাসনিক কাজের সমন্বয়ও বড় চ্যালেঞ্জ। কো-অর্ডিনেটর নিয়োগ সেই প্রস্তুতিরই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।
পুরভোটের আগে এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক ভাবেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে বিজেপি। ওয়ার্ড স্তরে সংগঠন ও প্রশাসনিক যোগাযোগ বাড়িয়ে শহরের প্রতিটি এলাকায় নিজেদের উপস্থিতি দৃঢ় করতে চাইছে শাসকদল। অন্য দিকে, কলকাতার পুর রাজনীতিতে নিজেদের দীর্ঘদিনের সংগঠন ধরে রাখাই তৃণমূলের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।




