ওয়েব ডেস্ক: ভোট চুরির অভিযোগকে সামনে রেখে ফের আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে কংগ্রেস। আগামী ২৫ অথবা ২৬ নভেম্বর দিল্লিতে নতুন করে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিতে পারেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে এই আন্দোলনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে কংগ্রেস সূত্রের খবর। ওই সময় দিল্লিতে থাকার জন্য দলের শীর্ষ নেতাদের বার্তাও দেওয়া হয়েছে। তবে আন্দোলনের চূড়ান্ত দিনক্ষণ এখনও স্থির হয়নি।
গত ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ সভার পরেই পরবর্তী আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। তবে দীপাবলির আগে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের অসুবিধার কথা মাথায় রেখে বিক্ষোভ কর্মসূচি পিছিয়ে দেওয়া হয়। উৎসবের পর ফের আন্দোলনে নামার পরিকল্পনা নিয়েছে কংগ্রেস। সম্প্রতি দিল্লিতে নিজের বাসভবনে কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য, মুখ্যমন্ত্রী, প্রদেশ সভাপতি এবং পরিষদীয় দলের নেতাদের নিয়ে দীপাবলি-মিলনের আয়োজন করেন রাহুল। সেখানে দলীয় ঐক্য এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়।
২৬ নভেম্বর সংবিধান দিবস। ১৯৪৯ সালের এই দিনে সংবিধান গৃহীত হয়েছিল। তাই ওই দিনকে সামনে রেখে গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষার লড়াই হিসেবে ভোট চুরির অভিযোগ তুলে ধরতে চাইছে কংগ্রেস। দলের নেতা সচিন পাইলটের অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের কাজ অবৈধ ও অসাংবিধানিক। তাঁকে মোদি সরকারের রক্ষাকবচের আড়ালে লুকোতে হচ্ছে। তবে আন্দোলনের চূড়ান্ত দিনক্ষণ এখনও স্থির হয়নি।
কলকাতার ২০৯ ওয়ার্ডে কো-অর্ডিনেটর নিয়োগের ঘোষণা শুভেন্দুর, বিরোধীদের হুঁশিয়ারি
ভোট চুরির অভিযোগকে সামনে রেখে ফের আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে কংগ্রেস। আগামী ২৫ অথবা ২৬ নভেম্বর দিল্লিতে নতুন করে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিতে পারেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে এই আন্দোলনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে কংগ্রেস সূত্রের খবর। ওই সময় দিল্লিতে থাকার জন্য দলের শীর্ষ নেতাদের বার্তাও দেওয়া হয়েছে।
গত ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ সভার পরেই পরবর্তী আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। তবে দীপাবলির আগে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের অসুবিধার কথা মাথায় রেখে বিক্ষোভ কর্মসূচি পিছিয়ে দেওয়া হয়। উৎসবের পর ফের আন্দোলনে নামার পরিকল্পনা নিয়েছে কংগ্রেস।
সম্প্রতি দিল্লিতে নিজের বাসভবনে কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য, মুখ্যমন্ত্রী, প্রদেশ সভাপতি এবং পরিষদীয় দলের নেতাদের নিয়ে দীপাবলি-মিলনের আয়োজন করেন রাহুল। সেখানে দলীয় ঐক্য এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়।
২৬ নভেম্বর সংবিধান দিবস। ১৯৪৯ সালের এই দিনে সংবিধান গৃহীত হয়েছিল। তাই ওই দিনকে সামনে রেখে গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষার লড়াই হিসেবে ভোট চুরির অভিযোগ তুলে ধরতে চাইছে কংগ্রেস। দলের নেতা সচিন পাইলটের অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের কাজ অবৈধ ও অসাংবিধানিক। তাঁকে মোদি সরকারের রক্ষাকবচের আড়ালে লুকোতে হচ্ছে।




