ওয়েব ডেস্ক : বারাণসীতে বিধান পরিষদের দু’টি আসনে বিজেপির পরাজয়ের পিছনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (UGC) নতুন বিধিমালার প্রভাব দেখছে সঙ্ঘ পরিবার। শুধু বারাণসী নয়, আগামী বছরের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনেও এই বিতর্ক বিজেপির জন্য অস্বস্তির কারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা আরএসএসের। দলের প্রচলিত উচ্চবর্ণের ভোটব্যাঙ্কে অসন্তোষ বাড়ছে, এমনই বার্তা পৌঁছেছে সঙ্ঘ নেতৃত্বের কাছে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতিগত বৈষম্য রুখতে ‘প্রমোশন অব ইকুইটি ইন হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউশন’ বিধিমালা এনেছিল ইউজিসি। কিন্তু বিধির কয়েকটি সংস্থান নিয়ে অসংরক্ষিত শ্রেণির পড়ুয়াদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। তাঁদের অভিযোগ, অভিযোগের তদন্তে গঠিত কমিটিতে উচ্চবর্ণের প্রতিনিধিত্ব না থাকায় বিধির অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে। বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছলে শীর্ষ আদালত বিধির প্রয়োগে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয়।
কালীপুজোর পর বদলাবে আবহাওয়া! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস
আরএসএসের বক্তব্য, বিধিমালাটি ভারসাম্যহীন। সংগঠনের প্রচার প্রমুখ সুনীল অম্বেকর জানিয়েছেন, বিষয়টি সরকারকে জানানো হয়েছে। ভবিষ্যতে যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হোক, সামাজিক সমন্বয় ও ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি।
বারাণসীর শিক্ষক ও স্নাতক আসনে বিজেপির পরাজয়কে এই অসন্তোষের প্রতিফলন বলে মনে করছেন দলের একাংশ। ১১টি আসনের মধ্যে বিজেপি ছ’টিতে এবং সমাজবাদী পার্টি পাঁচটিতে জয়ী হয়েছে। ফলে ইউজিসি বিধি নিয়ে কেন্দ্রের অবস্থান স্পষ্ট করার দাবি জোরালো হচ্ছে। বিধি প্রত্যাহার না করলে উচ্চবর্ণের সমর্থন হারানোর আশঙ্কা, আবার পরিবর্তন করলে অন্য সামাজিক গোষ্ঠীর অসন্তোষ—এই দুইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক ভারসাম্য খুঁজতে হচ্ছে বিজেপিকে।




