ওয়েব ডেস্ক: প্রতিদিন অনেকের মাথাব্যাথা হয়। অনেকেই এই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন ক্রমাগত। গরমকাল বা শীতকাল বলে তাঁদের কাছে আলাদা কোনও বিষয় নেই। কিন্তু কী কারণে হচ্ছে এই ব্যাথা। ব্যাথার কারণ জেনে সময়মতো চিকিৎসার ব্যবস্থা করাই প্রয়োজন। কারণ হিসেবে সর্বপ্রথম বলা হয় শরীরে জল কম থাকলে মাথাব্যাথা হতে পারে।
শরীরে জল কম থাকলে রক্তের পরিমাণ কমে যায়, যার ফলে রক্তের প্রবাহও কমে যায়। আর মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ কম হয়। এর কারণে মাথাব্যথা হতে পারে। কোনো কারণে মাথায় আঘাত পেলে স্থায়ীভাবে মাথাব্যথা হতে পারে। যা পোস্ট-ট্রমাটিক মাথাব্যথা হিসেবে পরিচিত। এই মাথাব্যথার তীব্রতা এবং সময়সীমা আলাদা আলাদা হতে পারে। পাশাপাশি বেশি মাত্রায় ওষুধ নিলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে মাথাব্যথা হতে পারে।
অতিমাত্রায় ওষুধ নিলে চিকিৎসকের পরামর্শানুযায়ী নিতে হবে। সমস্যার সমাধান না করা হলে দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হতে পারে। আবার অনেক সময় ফোন, কম্পিউটার, টিভি অনেকক্ষণ ব্যবহার করলে চোখে ক্লান্তি আসতে পারে। এর ফলে হতে পারে মাথাব্যথা। ক্রমাগত স্ক্রিনের দিকে তাকালে চোখে অস্বস্তি হয়। আর এটি থেকেই মাথাব্যথা হতে পারে। পাশাপাশি, হরমোনের পরিবর্তন বা গর্ভাবস্থায় মাথাব্যথা করতে পারে।
অন্যদিকে,মস্তিস্কে টিউমারের ঘটনা যদিও বিরল, তবে এটি ঘন ঘন মাথাব্যথার কারণ হিসেবে ধরা হয়। পরিবেশগত বিভিন্ন কারণে এবং খাবারের কারণে মাথাব্যথা হতে পারে। রাসায়নিক, পারফিউম, উচ্চ শব্দ বা ধোঁয়া থেকে তীব্র গন্ধও মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।




