তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের দলত্যাগ বিরোধী আইন সংক্রান্ত নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য আর কতটা সময় দেওয়া হবে, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের আর দীর্ঘ সময় দেওয়া হবে না বলেই ইঙ্গিত মিলছে। চতুর্থবারের জন্য সময় চেয়ে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত জবাব দেওয়ার সুযোগ চেয়েছেন সংশ্লিষ্ট সাংসদরা। এবার সেই আবেদন নিয়ে স্পিকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা।
তৃণমূলের ২০ জন সাংসদের এনসিপিআই-তে যোগদান ঘিরে দলত্যাগ বিরোধী আইনের প্রশ্নে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে লোকসভার স্পিকারের কাছে নোটিস দিয়েছে তৃণমূল। সেই নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সাংসদদের আগেও একাধিকবার সময় দেওয়া হয়েছে। এবার ফের সময় চাওয়ায় স্পিকারের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রাজনৈতিক মহলের।
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়দের তরফে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত সময় চাওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। সেই আর্জি মঞ্জুর হবে কি না, তা স্পিকার ওম বিড়লার সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে। চূড়ান্ত সময়সীমা নির্ধারিত হলে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের জবাব দেওয়ার সময়ও স্পষ্ট হয়ে যাবে।
এই বিতর্কের রাজনৈতিক গুরুত্ব যথেষ্ট। দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় সাংসদদের অবস্থান নিয়ে সিদ্ধান্ত হলে লোকসভায় তাঁদের দলীয় পরিচয় এবং সংসদীয় সমীকরণে তার প্রভাব পড়তে পারে। এখন দেখার, স্পিকার শেষবারের মতো সময় বাড়ান, নাকি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেন।




