HomeBig Breakingস্পিকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, ১০ বিধায়কের পদ খারিজের দাবিতে শীর্ষ আদালতে শোভনদেব

স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, ১০ বিধায়কের পদ খারিজের দাবিতে শীর্ষ আদালতে শোভনদেব

তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব আরও এক ধাপ এগোল, শীর্ষ আদালতে শোভনদেব

কলকাতা: তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব এ বার আরও এক ধাপ এগোল। সর্বোচ্চ আদালতে এবার শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম-সহ ১০ জন বিধায়কের ঞপদ খারিজের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর বিরুদ্ধেও মামলা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের এই নেতা। শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, এই মামলা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী সপ্তাহে শীর্ষ আদালতে শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

শোভনদেবের আবেদনের মূল বিষয় দলত্যাগবিরোধী আইন। তাঁর দাবি, তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত হয়েও ঋতব্রত-সহ সংশ্লিষ্ট বিধায়কেরা পৃথক শিবির গড়ে দলের স্বার্থবিরোধী কাজ করেছেন। সেই কারণে তাঁদের বিধায়ক পদ খারিজ করা উচিত। মামলায় বাকি বিধায়কদের পাশাপাশি বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকেও যুক্ত করা হয়েছে।

ঋতব্রত ও ফিরহাদ ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছেন সন্দীপন সাহা, অরূপ রায়, শিউলি সাহা, আখরুজ্জামান, সাবিনা ইয়াসমিন, রথীন ঘোষ, বিপ্লব মিত্র এবং জাভেদ আহমেদ খান। এর আগে ৮ জুলাই বিধানসভার স্পিকারের কাছে ওই ১০ বিধায়কের পদ খারিজের আবেদন জমা পড়েছিল। বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির দাবিতে শোভনদেব সুপ্রিম কোর্টেও গিয়েছিলেন। ২৮ সেপ্টেম্বর শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, তিন মাসের মধ্যে, অর্থাৎ ৮ অক্টোবরের মধ্যে, স্পিকারের উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করা উচিত। তবে আদালত বিধায়কদের পদ খারিজের নির্দেশ দেয়নি।

এ দিকে, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নিয়োগ নিয়েও দুই শিবিরের বিরোধ রয়েছে। মমতা-অনুগামী শিবির শোভনদেবের নাম প্রস্তাব করলেও স্পিকার ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টেও মামলা করেছিলেন শোভনদেব।

তৃণমূলের নাম, সংগঠন এবং জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনেও দুই পক্ষের বিরোধ চলছে। ফলে বিধায়ক পদ খারিজের মামলা দলের ক্ষমতার লড়াইয়ে নতুন আইনি মাত্রা যোগ করল। তবে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের বিরুদ্ধে অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments