জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে কেন্দ্রের উপর চাপ বাড়াতে নতুন কর্মসূচির কৌশল স্থির করল বিরোধী শিবির। মঙ্গলবার রাহুল গান্ধীর বাসভবনে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের নেতা, ছাত্র সংগঠন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের চা-চক্রে আন্দোলনের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে রাহুল জানান, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন থামবে না, বরং আরও জোরদার হবে। *তবে উৎসবের মরশুমে আপাতত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বিরতি। দশেরার পর ফের বৈঠকে বসে পরবর্তী কর্মসূচি চূড়ান্ত করবেন বিরোধীরা।*
কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বিক্ষোভকে ‘বিরাট সাফল্য’ বলে দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, মোদি সরকার ও কথিত ‘ভোট চুরি’র বিরুদ্ধে লড়াই চলবে।
তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষের অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার পদে থাকলে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। তাঁকে অপসারণ এবং তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজুর দাবিও জানান তিনি। এনসিপি-এসসিপি নেত্রী সুপ্রিয়া সুলে সংবিধান রক্ষার লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। ভোট চুরির অভিযোগে সরব হন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবও।
সিপিএম নেতা এম এ বেবির কটাক্ষ, সরকার প্রথমে ‘ভোট চুরি’ করেছে, এখন ‘প্রতিবাদস্থল চুরি’ করছে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার, হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু-সহ বিভিন্ন বিরোধী দলের নেতারা। এসআইআর প্রক্রিয়ায় ১৩ কোটিরও বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগ তুলে তদন্তের দাবিও জানিয়ে আসছে বিরোধীরা।




