ওয়েব ডেস্ক: পুজোর পরেই ভোটার তালিকা থেকে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগে আলাদা আলাদা আন্দোলনে নামছে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। কলকাতায় রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে ধর্না-অবস্থানের কর্মসূচি নিয়েছে বামফ্রন্ট। অন্যদিকে, ভোটারদের অধিকার ফেরানোর দাবিতে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রদেশ কংগ্রেসও। দুই শিবিরের কর্মসূচি পৃথক হলেও, এই ইস্যুতে অন্য দল ও সংগঠনগুলিকেও পাশে চাইছে তারা। ফলে শেষ পর্যন্ত প্রতিবাদের মঞ্চ এক হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে বামফ্রন্টের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী ৩ থেকে ৫ নভেম্বরের মধ্যে কোনও এক দিন সিইও-র দফতরের সামনে ধর্না-অবস্থান করা হবে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা এবং বৈধ ভোটারদের নাম পুনর্বহালের দাবিই থাকবে কর্মসূচির কেন্দ্রে। বিরোধীদের ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের তরফে ১ নভেম্বর সারা দেশে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। তার আগেই এসআইআর-বিরোধী আন্দোলনকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে।
সিপিএম বলছে, মৃত ও ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার দাবি তাঁদের দীর্ঘদিনের। তবে সাধারণ সংশোধন প্রক্রিয়াতেই সেই কাজ করা যেত বলে তাঁদের মত। SIR-এ মৃত ও স্থানান্তরিত ব্যক্তিদের পাশাপাশি বহু বৈধ ভোটারের নামও বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ বামেদের।
অন্যদিকে, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, পুজোর পরেই কলকাতায় ভোটারদের অধিকার ফেরানোর দাবিতে আন্দোলন হবে। এসআইআর-এ বাদ পড়া ভোটারদের ফর্ম-৬ জমার জন্য শিবির করার বিশেষ অভিযানের ঘোষণা করেছে কমিশন। এই আবেদনের দৈনিক পরিসংখ্যান প্রকাশের দাবিতে দিল্লির নির্বাচন সদন ও রাজ্যের সিইও-কে চিঠি দিয়েছে কংগ্রেস।
এদিকে, নির্বাচন কমিশন-সহ বিভিন্ন প্রশ্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বামেদের সঙ্গে যোগাযোগ করায় তাঁর সঙ্গে সম্পর্কের প্রশ্নে সতর্ক অবস্থান নিতে চাইছে সিপিএম নেতৃত্ব।




