HomeTop Newsমহাষষ্ঠীতে বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু দুর্গাপুজো

মহাষষ্ঠীতে বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু দুর্গাপুজো

ওয়েব ডেস্ক: আজ মহাষষ্ঠী। চার সন্তানকে নিয়ে বাপের বাড়িতে এসেছেন উমা। বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু দুর্গাপুজো। শিউলি ফুলের গন্ধ,নীল আকাশের সঙ্গে পুজো পুজো গন্ধ। এক কথায় আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্গাপুজোর ঢাকে বোল পড়ল। এবার উমা এসেছে ঘোড়ায়, বিদায় নেবেন নৌকায়। শুক্রবার বোধন দিয়ে মায়ের পুজোর সূচনা হয়েছে। প্রতি মণ্ডপে মণ্ডপে দেখা গেল তারই প্রস্ততি। মায়ের আগমণে ঘরে ঘরে আনন্দ। এদিন সকালে সকল পুজো মণ্ডপে বোধনের পুজো হয়। বেলুড় মঠেও বোধন সম্পন্ন হয়েছে রীতি মেনে।

বোধন দুর্গাপুজোর অন্যতম একটি নিয়ম। বোধন শব্দের অর্থ জাগরণ। পুজো শুরুর আগে দেবীর বোধন একটি অত্যাবশ্যকীয় রীতি। শরৎকালের দুর্গাপুজোয় এই বোধন করতে হয়। পুরাণ অনুসারে রামচন্দ্র শরৎকালে রাবণকে বধ করার জন্য দুর্গাপুজো করেন। তিনি অকালে পুজো করেছিলেন বলে এটি অকালবোধন নামেও খ্যাত। তবে বসন্তকালে যে দুর্গাপুজো তথা বাসন্তীপূজা অনুষ্ঠিত হয়, তাতে বোধন করার প্রয়োজন হয় না।

দুর্গাপুজোর সঙ্গে বাঙালির আবেগ বরাবরই যুক্ত। বেলুড় মঠের দুর্গাপুজোর সঙ্গে এক আধ্যাত্মিক অনুভূতি যুক্ত রয়েছে। পুজোর দিনগুলোতে দেশ বিদেশের অসংখ্য ভক্তের সমাগম ঘটে এখানে। দেবীর বোধন থেকে শুরু করে অষ্টমীর অঞ্জলি, সন্ধিপূজো এমনকি দশমীর বিসর্জন কিভাবে হয় তা জানতে আগ্রহী হয় মানুষ।

ষষ্ঠীর সকালে কল্পারম্ভ দিয়ে শুরু হয় দুর্গার বোধন। তারপর গোটা পুজোতে কোনও বিঘ্ন না ঘটার প্রার্থনা করা হয়।  ঘট ও জলপূর্ণ একটি তামার পাত্র মণ্ডপের কোণে স্থাপন করে সেখানে দুর্গা ও চণ্ডীর পুজো করা হয়। তারপরই হয় দুর্গার বোধন। এছাড়াও বোধনের পরে থাকে অধিবাস, আমন্ত্রণের পর্ব। অশুভ শক্তি দূরের জন্য ঘটের চারপাশে তীরকাঠিতে সুতো জড়িয়ে আমন্ত্রণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এভাবেই শেষ হয় ষষ্ঠীর আচার। বোধনের মাধ্যমে প্রতিমার মধ্যে প্রাণ প্রতিষ্ঠিত করা হয়।অন্য কোনও পুজোয় বোধন ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কিন্তু দুর্গাপুজোর বোধন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার কারণ জানেন? ‘বোধন’ কথার অর্থ জাগরণ। অর্থাৎ দেবীর নিদ্রাভঙ্গের উদ্যোগ।

 

 

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments