ওয়েব ডেস্ক: কংগ্রেস কিংবা ‘ইন্ডিয়া’ ব্লকের ছাতার তলায় নয়, নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় বজায় রেখেই আন্দোলন ও নির্বাচনী রাজনীতিতে এগোতে চায় সিজেপি। বুধবার সেই অবস্থান স্পষ্ট করে দলের চেয়ারম্যান অভিজিৎ দীপকে জানিয়ে দিলেন, বিরোধী জোটের সঙ্গে তাঁদের দাবির সংঘাত নেই। তবে সিজেপি কাজ করবে স্বাধীন চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবেই।
সম্প্রতি ‘ইন্ডিয়া’ ব্লকের সাংবাদিক বৈঠকে আইসা নেত্রী নেহা বোরার উপস্থিতি এবং সুপ্রিম কোর্ট অভিযানে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর পাশে তাঁর অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধী আন্দোলনে রাহুল গান্ধীর সক্রিয় উপস্থিতি এবং বিভিন্ন সংগঠনকে একই দাবিতে সরব করার উদ্যোগও নজর কেড়েছে। নেহা বোরার মতো আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে বিরোধী পরিসরকে আরও বিস্তৃত করার যে প্রচেষ্টা রাহুলের সাম্প্রতিক কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে, তা এই প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ। এই পরিস্থিতিতে নেহাকে সামনে রেখে তাঁকে পাল্টা চাপে ফেলার চেষ্টা হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নের জবাবে অভিজিৎ বলেন, “এমন কিছুই নয়। আমরা যাঁরা প্রতিবাদ করছি, আমাদের সবার লক্ষ্য একই।” তাঁর সংযোজন, “আমরা ইন্ডিয়া ব্লকের বিরুদ্ধে নই। তারাও যে দাবিতে আন্দোলন করছে, আমরাও একই দাবিতে সোচ্চার। তবে সিজেপি সব সময় একটি স্বাধীন চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবেই কাজ করবে।” অর্থাৎ, আন্দোলনের বৃহত্তর লক্ষ্যে সহমত থাকলেও সাংগঠনিক স্বাধীনতা বজায় রাখতেই আগ্রহী সিজেপি।
এদিকে যন্তর মন্তরে তিরঙ্গা নিয়ে প্রবেশের ঘটনায় সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে গ্রেপ্তার করে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করে অভিজিৎ বলেন, “যন্তর মন্তরে তিরঙ্গা নিয়ে ঢুকলে পাঁচ দিনের জেল হেফাজত! এই দৃশ্য আমরা দেশে জরুরি অবস্থাতেও দেখিনি।”সিজেপি নেতা অজিঙ্ক সিন্ধেরও অভিযোগ, সরকার সাধারণ মানুষের অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে সকলকে একজোট হতে হবে।




