ওয়েব ডেস্ক: চোরবাগানের ঘটনায় আহতদের দেখতে অ্যাপোলো হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেখানে আহতদের ওয়ার্ডে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি যাওয়া। প্রসঙ্গত, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এখন কলকাতাতেই রয়েছেন। স্বাস্থ্য কমিশনের চেয়ারম্যান, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুও সেখানে রয়েছেন।
চোরবাগানের ঘটনার পরে পুজো চত্বরে পৌঁছেছে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞর দল। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা ।
চোরবাগান সর্বজনীনের দুর্গাপুজোয় পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনায় বড় পদক্ষেপ করল কলকাতা পুলিশ। পুজো কমিটির সম্পাদক ও সহ-সভাপতি-সহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার দুই কর্মীও রয়েছেন। শনিবার রাতেই এই ঘটনায় ১৪ জনকে আটক করেছিল পুলিশ। তাঁদের মধ্যে সাত জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিপর্যয়ের ঘটনায় পুজো উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
ধৃতেরা হলেন চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির সম্পাদক রাজকুমার সেওডা ওরফে রাজা, সহ-সভাপতি শান্তনু দুবে, বিজ্ঞাপনের বাঁশের কাঠামো তৈরির কাজে যুক্ত বিপ্লব মুখোপাধ্যায় ওরফে জয়, ভিড় নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা কৌশিক সাহা ও পিন্টু দে এবং বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার কর্মী সুমন চক্রবর্তী ও রাজেশ পাল।
ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৫, ১১০ এবং ৩(৫) ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। অনিচ্ছাকৃত খুন, অনিচ্ছাকৃত খুনের চেষ্টা এবং একই অভিপ্রায়ে দলবদ্ধ ভাবে অপরাধের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
শনিবার সপ্তমীর সন্ধ্যায় বৃষ্টির মধ্যে মণ্ডপে ঢোকার জন্য দর্শনার্থীদের হুড়োহুড়ি থেকেই বিপর্যয় ঘটে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। ভিড়ের চাপে কয়েক জন পড়ে গেলে তাঁদের উপর দিয়েই অন্যেরা এগোনোর চেষ্টা করেন। মৃত্যু হয় ১৯ জনের, আহত হন ২৫ জন। তাঁদের মধ্যে কয়েক জনকে পরে অ্যাপোলো হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও বেরোনোর পথের ব্যবস্থা, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের ভূমিকা এবং ভিআইপি পাসের প্রভাব—সবই তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রবিবার সকাল থেকে চোরবাগান সংলগ্ন এলাকায় জারি করা হয়েছে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা।




