HomeBig Breakingউত্তর কলকাতার ঐতিহ্যে জড়িয়ে কুমারটুলির সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির

উত্তর কলকাতার ঐতিহ্যে জড়িয়ে কুমারটুলির সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির

সঞ্চারী পূততুন্ড

কালী কলকাত্তাওয়ালী। কলকাতার সঙ্গে কালীর সম্পর্ক অঙ্গাঙ্গি। দেশে বিদেশে কালীক্ষেত্র বলে পরিচিত কলকাতা। কুমারটুলির সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির অত্যন্ত জনপ্রিয়। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের নিয়মিত যাতায়াত ছিল এখানে।  সিদ্ধেশ্বরী কালী আসলে ডাকাত কালী! শ্রীরামকৃষ্ণ থেকে শুরু করে ‘বসুমতী সাহিত্য মন্দিরে’র প্রতিষ্ঠাতা উপেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়, নাট্যজগতের গিরিশচন্দ্র ঘোষ সহ কলকাতার নামকরা মানুষের যাতায়াত ছিল এখানে। নাটকের মহড়া দেওয়ার আগে মায়ের পায়ে প্রণাম করতেন গিরিশচন্দ্র ঘোষ। কলকাতার গিন্নিমা বলে ডাকতেন তিনি।

এখানে সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন কালীবর নামে এক সন্ন্যাসী। মন্দিরে মায়ের হাতে খাঁড়া থাকার পাশাপাশি আরও দুটি খাঁড়া রয়েছে। একটি দিয়ে আগে বলি হতো। অন্যটির ধোয়া জল ভক্তরা বাড়িতে নিয়ে যান। সেই জল সমস্ত অশুভ শক্তিকে দূরে সরিয়ে দেয়। কালীপুজোর রাতে এখনও তন্ত্র মতে পুজো হয় দেবীর। দেবীর ভোগের জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়। নবকৃষ্ণ দেবের নির্দেশ অনুসারে অতীত থেকে এখনও  শোভাবাজার বাজার থেকে মায়ের ভোগের জন্য সবজি আসে।

দুই শিবিরে বিভক্ত তৃণমূলকে তুলোধোনা শুভেন্দুর, মমতা-ঋতব্রত কাউকেই রেয়াত নয়

প্রথমে কুমোরটুলি অঞ্চলে হোগলাপাতার ছাউনিতে শ্যামা মায়ের আরাধনা শুরু হয়েছিল। এই সময় জঙ্গলময় অঞ্চল ছিল ডাকাতের অধীনে। দেবী সিদ্ধেশ্বরী ছিলেন ডাকাতদের দেবী। ধীরে ধীরে কাপালিক ও ডাকাতদের মা হয়ে উঠেছিলেন গৃহীর মা। প্রতি অম্বুবাচীতে মৃন্ময়ী মাকে স্নান করানো হয়। অথচ আশ্চর্য,  মাটির মূর্তি ধুয়ে যায় না। দীপান্বিতা কালীপুজোয় প্রায় সারা রাত মন্দির খোলা থাকে। ভক্তরা আসেন মায়ের দর্শন করতে। নিজের মনবাঞ্চার কথাও জানান তাঁরা।

 

 

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments