ওয়েব ডেস্ক: ৪ ছেলে মেয়েকে নিয়ে কৈলাসে ফিরেছেন উমা। জগদ্ধাত্রী রূপে তিনি আবার আসবেন। গোটা রাজ্যে জগদ্ধাত্রী পুজো হলেও নদিয়া ও চন্দননগরের পুজো সবথেকে বেশি জনপ্রিয়। রাজ্যে পালাবদলের পরে এবার প্রথম অনুষ্ঠিত হবে জগদ্ধাত্রী পুজো। সঠিকভাবে পুজোর আয়োজন করতে একটি প্রশাসনিক বৈঠক হল। বৈঠকে রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, মন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, মন্ত্রী উমেশ রাই, স্থানীয় বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহা, হুগলির জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনার সহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিন বৈঠকের পর মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল পূর্বতন সরকারকে নিশানা করে বলেন, আগের সরকার জগদ্ধাত্রী পুজোর জাঁকজমক বাড়ানোর জন্য কিছুই করেনি। শুধু ইউনেস্কোর নামে টিকিট বিক্রি করে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জগদ্ধাত্রী পুজোকে পরিচিতি দেওয়ার জন্য রাজ্য পুজো উৎসব হিসেবে ঘোষণা করেছেন।
চন্দননগরে আলোর সজ্জা সারা বিশ্বে বিখ্যাত। কিন্তু এই সকলকর্মীদের জন্যও আগের সরকার কিছুই করেনি। নতুন সরকার সেই কর্মীদের প্রতিভাকে বাংলার পাশাপাশি দেশ-বিদেশে পরিচিতি দেওয়ার জন্য নতুন ভাবনা নিয়ে কাজ করছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এই বৈঠক আয়োজিত হয়েছিল। পুজো উপলক্ষ্যে শহরকে বিশেষভাবে সাজানো হবে। দেশ-বিদেশ থেকে আগত মানুষ এখানকার সংস্কৃতিকে সঠিক অর্থে বোঝানোর চেষ্টা করা হবে।




