কলকাতা: এবছর দুর্গাপুজোয় সপ্তমীর দিন চোরবাগানে ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল। তার পর থেকেই কালীপুজো ও দীপাবলির নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তি সতর্ক কলকাতা পুলিশ। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য প্রশাসন আগেভাগেই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে।
সম্প্রতি কলকাতার নগরপাল অজয় নন্দার নেতৃত্বে পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা শহরের বড় পুজো কমিটিগুলির উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করা হয়।
আরও পড়ুন:
আলোর উৎসবে নজির গড়ার লক্ষ্য, নিউটাউনে একসঙ্গে জ্বলবে ১,১১,১১১ প্রদীপ
মণ্ডপে কী নির্দেশিকা?
প্রতিটি মণ্ডপের ঢোকা ও বেরোনর পথ যথেষ্ট চওড়া রাখতে হবে এবং পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকতে হবে। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র রাখা বাধ্যতামূলক। ভিড় সামলাতে বিশেষ নজরদারি চালাতে হবে। বৃষ্টি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মণ্ডপের ভিতরে কোনও দর্শনার্থীকে রাখা যাবে না।
বাজি নিয়ে কড়াকড়ি প্রশাসন
বাজি নিয়েও কড়াকড়ি রয়েছে। স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ জানিয়েছেন, শুধুমাত্র অনুমোদিত সবুজ বাজিই পোড়ানো যাবে, তা-ও রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে। শব্দবাজির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১২৫ ডেসিবেল এবং আলোকবাজির ক্ষেত্রে ৯০ ডেসিবেলের সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল ও বৃদ্ধাশ্রমের ১০০ মিটারের মধ্যে কোনওরকম বাজি ফাটানো নিষিদ্ধ। নিয়ম ভাঙলে জেল পর্যন্ত হতে পারে।
বিসর্জনে কী নির্দেশিকা?
এছাড়া আগামী ১২ তারিখের মধ্যে সমস্ত প্রতিমার বিসর্জন শেষ করতে হবে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনও গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে কলকাতা পুলিশ।




