ওয়েব ডেস্ক: পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই বড় ধাক্কা আম আদমি পার্টিতে (আপ)। ভোটের প্রস্তুতির মধ্যেই একসঙ্গে তিন বিদ্রোহী বিধায়কের দলত্যাগে অস্বস্তিতে পড়ল মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের সরকার। সোমবার দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে গিয়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন আপের তিন বিধায়ক। তাঁদের দলবদলকে ঘিরে পাঞ্জাবের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা।
বিজেপিতে যোগ দেওয়া তিন বিধায়ক হলেন হরমিত সিং পাঠানমাজরা, চেতন সিং জৌরামাজরা এবং কুঁওর বিজয় প্রতাপ সিং। তাঁদের মধ্যে পাঠানমাজরা ও জৌরামাজরাকে দলবিরোধী কাজের অভিযোগে আগেই সাসপেন্ড করেছিল আপ। পাতিয়ালার সানোর কেন্দ্রের বিধায়ক পাঠানমাজরা এবং সামানার প্রাক্তন মন্ত্রী জৌরামাজরা রবিবারই দলের প্রাথমিক সদস্যপদ ছেড়ে দেন। অন্যদিকে, অমৃতসর উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক তথা প্রাক্তন আইপিএস অফিসার কুঁওর বিজয় প্রতাপ সিংকে গত বছরের ২৯ জুন পাঁচ বছরের জন্য সাসপেন্ড করেছিল দল। সোমবার বিধায়ক পদ থেকেও ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি।
আরও পড়ুন:
সোনিয়াকে ‘আমার নেত্রী’ বলে মমতার নতুন রাজনৈতিক ভঙ্গি, বাংলার পুরনো বিরোধের কী ব্যাখ্যা?
দলবদলের পর আপ সরকারের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ তুলেছেন তিন বিধায়ক। তাঁদের দাবি, পাঞ্জাবে মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ ভগবন্ত মানের সরকার। গত পাঁচ বছরে বেড়েছে ঋণের বোঝা, অবনতি হয়েছে আইনশৃঙ্খলারও। কুঁওর বিজয় প্রতাপের বক্তব্য, রাজ্যে অপরাধীদের প্রভাব ক্রমশ বাড়ছে। পাঞ্জাবে উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের মডেল কার্যকর করার পক্ষেও সওয়াল করেছেন তাঁরা।
উল্লেখ্য, আগামী বছর জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে পাঞ্জাবের ১১৭টি বিধানসভা আসনে ভোট হওয়ার কথা। নির্বাচন কমিশন নির্ঘণ্ট ঘোষণা না করলেও আপ ইতিমধ্যেই ৪০টি আসনে প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেছে। এই পরিস্থিতিতে তিন বিধায়কের দলত্যাগ নির্বাচনের আগে আপের সাংগঠনিক শক্তি ও রাজনৈতিক কৌশলকে কতটা ধাক্কা দেয়, সেটাই এখন দেখার।




