কলকাতা: বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতেই শপথবাক্য পাঠ করলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক হাসিরানি রথ ও রেজিনগরের বিধায়ক শাখারভ সরকার। এদিন ফের বিজেপিকে ‘সংখ্যালঘু-বিরোধী’ বলে দাগিয়ে দেওয়ার ব্যাখ্যা নস্যাৎ করে শুভেন্দু দাবি করেন, অনেকেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক পার্টি বলে রাজনীতি করে খেয়েছেন। বর্তমান প্রশাসনের প্রশংসায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “৬ মাস আছি, শুধু চা-বিস্কুট দেখেছেন, এখনও ব্রেকফাস্ট-লাঞ্চ-বাকি”। সেখান থেকেই হাসিরানি রথকে মুখ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, ছেলে চন্দ্রনাথ রথের খুনের বিচার তিনি পাবেনই।
শুভেন্দু বলেন, “যাঁরা আমাদের হিন্দুদের দল বলেন…হ্যাঁ আমরা হিন্দু। সনাতনে বিশ্বাস করি। মাথায় টিকা রাখি। সরকার চালানোর ক্ষেত্রে যাকে প্রয়োজন, তাকেই অগ্রাধিকার রেজিনগরে ৭৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন শাখারভ সরকার। এর মাধ্যমেই প্রমাণিত যে এই সরকার মাত্র ছ’মাসের মধ্যে সকলের আস্থা অর্জনের দিকে অগ্রসর হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, ৩০০টি বুথের মধ্যে ১০০টি সনাতনী বুথ এবং ২০০টি সংখ্যালঘু বুথ রয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষও ভোট দিয়েছেন বলে জানান তিনি। প্রতিনি বলেন, “বিজেপি-কে সাম্প্রদায়িক বলে সংখ্যালঘুদের থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হত। কিন্তু সংখ্যালঘুরা রেজিনগরে বিজেপি-কে ভোট দিয়েছেন। এতদিন বিজেপি-কে সাম্প্রদায়িক বলে করে খেয়েছেন আপনারা। রেজিনগরে সেটা ভেঙেচুরে তছনছ হয়ে গিয়েছে। রেজিনগরে ৭০০০০ মহিলা অন্নপূর্ণায় উপকৃত, যার মধ্যে ৩৫০০০ সংখ্যালঘু।”
‘আর না দাঁড়ানোই ভালো, এই বয়সে বিশ্রাম নেওয়াই উচিত’, নাম না করে মমতাকে পরামর্শ শুভেন্দুর
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিজেপি সরকারের মাত্র ছয় মাস হয়েছে। এখনও সাড়ে চার বছর বাকি রয়েছে। তাঁর কথায়, এটি সবেমাত্র সকালের চা-বিস্কুট বা ব্রেকফাস্ট হচ্ছে, আসল লাঞ্চ বা বড় কাজ এখনও বাকি রয়েছে। দেখতে থাকুন আমরা কী ভাবে এগোই এবং কী করে মানুষকে যুক্ত করে নিয়ে এগোতে থাকব। নিজেরা লড়ালড়ি করুন আপনারা।”




