ওয়েব ডেস্ক: পুর নির্বাচন সামনেই। তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুই শিবিরের সংঘাত এবার নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে। আগামী ৩০ অক্টোবর, শুক্রবার, একই দিনে দুই পক্ষকে শুনানিতে ডেকেছে কমিশন। জোড়াফুল প্রতীকের অধিকার নিয়ে দুই শিবিরের পাল্টাপাল্টি দাবির মধ্যেই এই পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে।
বিবাদের কেন্দ্রে রয়েছে দলের নাম, নির্বাচনী প্রতীক এবং সাংগঠনিক কর্তৃত্ব। মমতা শিবিরের দাবি, দলের বৈধ সাংগঠনিক কাঠামো ও নেতৃত্ব তাদের হাতেই রয়েছে। অন্য দিকে, ঋতব্রত শিবিরও নিজেদের দাবির পক্ষে কমিশনের কাছে বক্তব্য ও নথি পেশ করতে চলেছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, শেষ পর্যন্ত ‘তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং জোড়াফুল প্রতীকের স্বীকৃতি পাবে কোন পক্ষ?
গত ১৭ সেপ্টেম্বর কমিশন অন্তর্বর্তী নির্দেশে দুই শিবিরের জন্যই ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং জোড়াফুল প্রতীকের ব্যবহার স্থগিত করে। উপনির্বাচনের আগে দুই পক্ষকে বিকল্প নাম ও প্রতীকও বরাদ্দ করা হয়। মমতা শিবিরের জন্য ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও ফুটবল খেলোয়াড়ের প্রতীক এবং বিরোধী শিবিরের জন্য ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও খামের প্রতীক নির্ধারিত হয়।
এই বিবাদের নিষ্পত্তিতে সুপ্রিম কোর্টও সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। কমিশনের শুনানিতে দুই পক্ষের বক্তব্য ও নথি খতিয়ে দেখার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ স্পষ্ট হবে।
তাই আগামী ৩০ অক্টোবরের শুনানি দুই শিবিরের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুনানির পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।




