কলকাতা: কলকাতা-সহ রাজ্যের চার শহরে দুর্গাপ্রতিমার বিসর্জন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে ১৮ জন আইপিএস আধিকারিককে দায়িত্ব দিল রাজ্য পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ১২ জন কলকাতা পুলিশ এলাকায় বিসর্জন পর্ব তদারকি করবেন। বাকি ছ’জনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হাওড়া, ব্যারাকপুর ও চন্দননগরে। চোরবাগান কাণ্ডের পর বিসর্জনে নিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে প্রশাসন।
মঙ্গলবার রাজ্য পুলিশের তরফে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। তাতে জানানো হয়েছে, ২১ অক্টোবর, দশমী থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত বিসর্জন প্রক্রিয়া তদারকি করবেন দায়িত্বপ্রাপ্ত আইপিএস আধিকারিকেরা। কোন দিন, কোন এলাকায় কার দায়িত্ব থাকবে, বিজ্ঞপ্তিতে তারও উল্লেখ রয়েছে। কলকাতা পুলিশ এলাকায় ২১ ও ২৩ অক্টোবর তদারকির দায়িত্ব পেয়েছেন গৌরব শর্মা, সোমা দাস মিত্র, রশিদ মুনির খান, আকাশ মাঘারিয়া, সুরেশকুমার চাডিভে এবং ধৃতিমান সরকার। ২২ ও ২৪ অক্টোবর দায়িত্বে থাকবেন প্রবীণকুমার ত্রিপাঠী, ইমরান ওয়াহাব, শীষ রাম ঝাঝরিয়া, সৌম্য রায়, পারিজাত বিশ্বাস এবং সিদ্ধার্থ ধাপোলা। হাওড়া পুলিশ জেলায় ইন্দ্র চক্রবর্তী ও আভারু রবীন্দ্রনাথ, ব্যারাকপুরে পলাশচন্দ্র ঢালি ও দ্যুতিমান ভট্টাচার্য এবং চন্দননগরে অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপ মণ্ডলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
গত ১৭ অক্টোবর সপ্তমীতে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসবের মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় ভিড়ের মধ্যে হুড়োহুড়ি এবং আতঙ্ক ছড়ানো ঘোষণাকে ঘিরে অভিযোগ উঠেছে। তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করেছে কলকাতা পুলিশ। ছ’জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। এই ঘটনার পর পুজোর বাকি পর্ব এবং বিসর্জনে নিরাপত্তা জোরদার করতে তৎপর প্রশাসন। ভিড় নিয়ন্ত্রণ, নজরদারি ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাড়তি সতর্কতাই এখন লক্ষ্য।




