ওয়েব ডেস্ক: শরতের নীল আকাশ, কাশফুলের দোলা আর উৎসবের উন্মাদনা—সপ্তমীর সকালে সব হিসাব ওলটপালট করে দিল সন্ধ্যার তুমুল বৃষ্টি। মণ্ডপে মণ্ডপে ঠাকুর দেখার পরিকল্পনা নিয়ে যাঁরা পথে নেমেছিলেন, তাঁদের অনেককেই আবহাওয়ার রোষে পড়ে থমকে যেতে হল। কোথাও জল জমল রাস্তায়, কোথাও ছাতা মাথায় ভিজে ভিজেই প্রতিমা দর্শন সারলেন দর্শনার্থীরা। বৃষ্টির দাপটে সপ্তমীর উৎসবের ছন্দে পড়ল ছেদ।
দুর্গাপুজোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন সপ্তমী। এই দিন থেকেই বহু মানুষের ঠাকুর দেখার মূল পর্ব শুরু হয়। সকাল থেকে মণ্ডপে ভিড় জমতে শুরু করলেও বৃষ্টি বাড়তেই সেই ভিড়ের চেহারা বদলে যায়। পরিবারের সঙ্গে বেরোনো মানুষ থেকে শুরু করে বন্ধুদের দল—সকলকেই আবহাওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পরিকল্পনা বদলাতে হয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের নিয়ে বেরোনো দর্শনার্থীদের ভোগান্তি ছিল বেশি।
তবে বৃষ্টি যে উৎসবের উন্মাদনা পুরোপুরি মুছে দিতে পেরেছে, এমন নয়। প্রতিকূল আবহাওয়াকে উপেক্ষা করেও বহু মানুষ মণ্ডপে পৌঁছেছেন। ছাতা হাতে, রেনকোট গায়ে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি চলেছে ছবি তোলা, আড্ডা আর পুজোর আনন্দ উপভোগ। কিন্তু একের পর এক মণ্ডপ ঘুরে দেখার পরিকল্পনায় জল ঢেলেছে বৃষ্টির দাপট।
পুজোর দিনগুলিতে আবহাওয়ার এমন খামখেয়ালিপনা উৎসবের আনন্দের সঙ্গে জুড়ে দিল বাড়তি অনিশ্চয়তা। সপ্তমীর বৃষ্টিতে প্রশ্ন উঠেছে, অষ্টমী ও নবমীতে কি স্বস্তি মিলবে? আপাতত বৃষ্টির বিরতি আর পরিষ্কার আকাশের অপেক্ষায় পুজোপ্রেমীরা। কারণ, দুর্গাপুজোর আনন্দে বৃষ্টি বাধা হয়ে দাঁড়ালেও ঠাকুর দেখার উৎসাহে ভাটা পড়তে দিতে নারাজ বাঙালি।
আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,রবিবার থেকে ধীরে ধীরে বদলাতে পারে আবহাওয়া। মোটের উপর শুষ্কই থাকবে আবহাওয়া। এমনকী, তাপমাত্রা কমার পূর্বাভাসও রয়েছে।




