HomeScrollডাকিনী-যোগিনীকে দিতে হয় মাছ!

ডাকিনী-যোগিনীকে দিতে হয় মাছ!

দশমীর দিন মাকে জোড়া ইলিশ মাছ ভাজা ও পান্তা ভাত নিবেদন করা হয়

ওয়েব ডেস্ক: কোন্নগরের ৫০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ির পুজো এই ঘোষাল বাড়ির পুজো। হুগলি নদীর ধারে অবস্থিত ঘোষালদের জমিদারি। শত শত বছর ধরে চলে আসছে এই পুজো। ব্রিটিশরা এই পুজোয় এক সময় ৭৫০ টাকা অনুদান দিত। জানা যায়, সেই প্রচলন আজও আছে। যা বর্তমানে জমিদার বাড়ির পুজো বাবদ সরকারি কোষাগারে অনুদান হিসে্বে গচ্ছিত থাকে।

এই জমিদার বাড়ির পুজো অনুষ্ঠিত হয় কালিকা পুরাণ মতে। এই প্রতিমার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল, সিংহটির মুখ সাধারণ সিংহের মতো নয়, পৌরাণিক নরসিংহ রূপের মতো। দুর্গাপুজোর সময় রাধিকা ও শ্যামসুন্দরের বিগ্রহ এনে দুর্গাপ্রতিমার সঙ্গেই ঠাকুরদালানে রেখে পুজো করা হয়। জানা গিয়েছে, দশমীর দিন মাকে বিসর্জনের আগে গঙ্গা থেকে ধরে আনা তাঁজা জোড়া ইলিশ মাছ ভাজা ও পান্তা ভাত নিবেদন করা হয়। বাড়ির বিবাহিত মহিলারাও এই প্রসাদ খেয়ে দেবীকে বরণ করতে যান। এছাড়া ডাকিনী-যোগিনীদের উদ্দেশ্যেও প্রতিদিন মাছ ভোগ দেওয়া হয়ে থাকে। এক সময় ঘোষাল বাড়ির নাট মন্দিরে বসত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আসর। বর্তমান প্রজন্মও একই ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রেখেছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments