ওয়েব ডেস্ক: হিন্দু পঞ্জিকা ও জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে সপ্তমী তিথির বিস্তারের কারণে দু’দিন ধরে সপ্তমী পালনের প্রসঙ্গ এসেছে। তিথি দু’টি সূর্যোদয়কে স্পর্শ করলে পুজোর দিন নির্ধারণে বিশেষ পঞ্জিকাবিধি অনুসরণ করা হয়। তবে কোন দিন কোন আচার পালিত হবে, তা নির্ভর করে নির্দিষ্ট পঞ্জিকার গণনার উপর।
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, সপ্তমী তিথিতেই দেবী দুর্গা মহিষাসুরের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। তাই এই তিথি শক্তি, সাহস ও অশুভ বিনাশের প্রতীক। দু’দিন সপ্তমী পালনের সুযোগকে ভক্তেরা দেবীর চরণে নিজেদের নিবেদনের এক বিশেষ পর্ব হিসেবে দেখেন। তাঁদের বিশ্বাস, ভক্তি ও নিষ্ঠার সঙ্গে দেবীর আরাধনা করলে জীবনে শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল প্রতিষ্ঠিত হয়। দেবীর আশীর্বাদে অশুভ শক্তির বিনাশ এবং শুভের প্রতিষ্ঠাই এই পুজোর অন্তর্নিহিত প্রার্থনা।




