কলকাতা: চোরবাগানের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, তাই জগদ্ধাত্রী পুজোর আগে বাড়তি সতর্ক রাজ্য প্রশাসন। ভিড় নিয়ন্ত্রণ, অগ্নি নিরাপত্তা ও ভাসানের সময় সাবধানতা, সব দিকেই নজর দিতে চাইছে নবান্ন। শুধু জগদ্ধাত্রী নয়, কালীপুজো, দীপাবলি, কার্তিক পুজো ও ছটের ক্ষেত্রেও একই সতর্কতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মৌখিক নির্দেশের পাশাপাশি প্রকাশ করা হয়েছে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর বা SOP। পুজো উদ্যোক্তা থেকে প্রশাসন, সকলকেই তা মেনে চলতে হবে।
গত ২৮ অক্টোবর এ নিয়ে নবান্নে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গত বৃহস্পতিবার একই বিষয়ে বৈঠক করেন অগ্নিমিত্রা পলও। এরপর স্থানীয় প্রশাসন ও পুরসভাগুলির জন্য SOP তৈরি হয়। ৩১ অক্টোবর থানা, দমকল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও পুরসভার আধিকারিকেরা একটি সমন্বয় বৈঠকও সেরেছেন।
নির্দেশিকায় সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে ভিড় নিয়ন্ত্রণে। প্যান্ডেলে পর্যাপ্ত আলো রাখতে হবে, প্রবেশ ও প্রস্থানের পথে থাকতে হবে যথেষ্ট জায়গা। প্রতিটি মণ্ডপের নকশা নিয়ে মহকুমাশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে নিতে হবে পুলিশকে, যাতে চোরবাগানের মতো কোনও ত্রুটি না থাকে।
আরও পড়ুন:
নাগরিকত্বের নথি পেলেই ভোটার তালিকায় নাম, মতুয়াদের পাশে থাকার বার্তা শুভেন্দুর
কালীপুজোয় বারাসাত এবং জগদ্ধাত্রী পুজোয় চন্দননগরে দুর্গাপুজোর মতোই ভিড় হয়। তাই প্রতিটি মণ্ডপে পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক রাখতে বলা হয়েছে। থানাগুলিকেও পুলিশ মোতায়েন করতে হবে। বড় পুজোয় থাকবে অ্যাম্বুল্যান্স, আর প্রতিটি মণ্ডপে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা।
অগ্নিকাণ্ড এড়াতে দমকলকে এমনভাবে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে, যাতে প্রতিটি এলাকায় ১৫-২০ মিনিটে পৌঁছনো যায়। মণ্ডপে রাখতে হবে অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। মণ্ডপের কাছে বাজি পোড়ানো যাতে না হয়, সেদিকেও নজর রাখবে প্রশাসন।




